ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ

একাডেমি চালু করতে ফিফা ছাড়াও সরকারের কাছে যাবে বাফুফে

স্পোর্টস ডেস্ক
  • Update Time : ০৭:৩১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / ৫৯ Time View

প্রায় এক যুগ আগে ফিফার অর্থায়নে বাংলাদেশে প্রথম ফুটবল একাডেমি হয়েছিল। সিলেট বিকেএসপির সেই একাডেমি চালু হওয়ার পর সুফলও আসে। সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবলে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। কিন্তু সাড়ে সাত লাখ ডলারের সেই একাডেমি কিছুদিনের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আর খোলেনি। এবার বাফুফের নতুন কমিটির অন্যতম সহ-সভাপতি নাসের শাহরিয়ার জাহেদী ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হয়ে জানালেন, একাডেমির জন্য ফিফা ছাড়াও সরকারের সহযোগিতা চাইবেন।

আজ শনিবার বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসপিএ) কার্যালয় পরিদর্শনে এসে এই কথা জানান জাহেদী। ১১ ডিসেম্বর বাফুফের নির্বাহী কমিটির দ্বিতীয় সভা। সেখানে সাব কমিটিগুলো চূড়ান্ত হবে। এরপর এক সপ্তাহের মধ্যে সভা করে নিজেদের রূপরেখা ঘোষণা করবেন বলে ডেভলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান জানালেন।

জাহেদী শুরুতে বলেছেন, ‘সামনে সভা আছে, সেখানে রোডম্যাপ তৈরি করবো। অনূর্ধ্ব ১৪ ও ১৬ ফুটবল হবে। স্কুল ফুটবল তো আছেই। সারা দেশে হতে হবে। তারপর বাছাই করে ট্রেনিং হবে। এরই মধ্যে বিকেএসপি ও শামসুল হুদা গোল্ডকাপ একাডেমিসহ অন্যদের সঙ্গে কথা বলছি। এটা আমাদের প্রাথমিক আলোচনা। এরপর কমিটির অন্যদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো যেন পাইপলাইনে ফুটবলার তৈরি করা যায়। শীর্ষ পর্যায়ে ফুটবলার সরবরাহ করা যায়।’

ঢাকা ও বাইরে ফুটবল মাঠের অভাব। সেটাও বাফুফের দৃষ্টিতে আছে। ফিফার প্রজেক্ট থেকে নতুন করে একাডেমি চালু প্রসঙ্গে বাফুফের সহ-সভাপতি বলেছেন,‘আমাদের ছোট বড় বেসরকারি একাডেমি ৭০-৭৫টি আছে। আগে দেখবো এগুলোকে নিয়ে কতটুকু সামনের দিয়ে এগোনো যায়। তাদের আরও কতটুকু মানসম্মত করা যায়। এরমধ্যে ২০ থেকে ২৫টি হলেও ভালো।’

এরপরই জানালেন, ‘সিলেটে অবকাঠোমোসহ অন্য সবদিক দিয়ে ভালো একাডেমি ছিল। কিন্তু চালানো যায়নি। এখন নতুন করে যদি এটাকে সামনের দিকে কাজে লাগানো যায়। আমরা ফিফার কাছে যাবো। সরকারের কাছেও যাবো। যদি সহযোগিতা পাওয়া যায়। এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে য়ারা পৃষ্ঠপোষক আছে, তাদের সঙ্গে কাজ করতে চাই। যেন তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবলার তৈরি করা যায়।’

Please Share This Post in Your Social Media

একাডেমি চালু করতে ফিফা ছাড়াও সরকারের কাছে যাবে বাফুফে

স্পোর্টস ডেস্ক
Update Time : ০৭:৩১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রায় এক যুগ আগে ফিফার অর্থায়নে বাংলাদেশে প্রথম ফুটবল একাডেমি হয়েছিল। সিলেট বিকেএসপির সেই একাডেমি চালু হওয়ার পর সুফলও আসে। সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবলে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। কিন্তু সাড়ে সাত লাখ ডলারের সেই একাডেমি কিছুদিনের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আর খোলেনি। এবার বাফুফের নতুন কমিটির অন্যতম সহ-সভাপতি নাসের শাহরিয়ার জাহেদী ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হয়ে জানালেন, একাডেমির জন্য ফিফা ছাড়াও সরকারের সহযোগিতা চাইবেন।

আজ শনিবার বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসপিএ) কার্যালয় পরিদর্শনে এসে এই কথা জানান জাহেদী। ১১ ডিসেম্বর বাফুফের নির্বাহী কমিটির দ্বিতীয় সভা। সেখানে সাব কমিটিগুলো চূড়ান্ত হবে। এরপর এক সপ্তাহের মধ্যে সভা করে নিজেদের রূপরেখা ঘোষণা করবেন বলে ডেভলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান জানালেন।

জাহেদী শুরুতে বলেছেন, ‘সামনে সভা আছে, সেখানে রোডম্যাপ তৈরি করবো। অনূর্ধ্ব ১৪ ও ১৬ ফুটবল হবে। স্কুল ফুটবল তো আছেই। সারা দেশে হতে হবে। তারপর বাছাই করে ট্রেনিং হবে। এরই মধ্যে বিকেএসপি ও শামসুল হুদা গোল্ডকাপ একাডেমিসহ অন্যদের সঙ্গে কথা বলছি। এটা আমাদের প্রাথমিক আলোচনা। এরপর কমিটির অন্যদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো যেন পাইপলাইনে ফুটবলার তৈরি করা যায়। শীর্ষ পর্যায়ে ফুটবলার সরবরাহ করা যায়।’

ঢাকা ও বাইরে ফুটবল মাঠের অভাব। সেটাও বাফুফের দৃষ্টিতে আছে। ফিফার প্রজেক্ট থেকে নতুন করে একাডেমি চালু প্রসঙ্গে বাফুফের সহ-সভাপতি বলেছেন,‘আমাদের ছোট বড় বেসরকারি একাডেমি ৭০-৭৫টি আছে। আগে দেখবো এগুলোকে নিয়ে কতটুকু সামনের দিয়ে এগোনো যায়। তাদের আরও কতটুকু মানসম্মত করা যায়। এরমধ্যে ২০ থেকে ২৫টি হলেও ভালো।’

এরপরই জানালেন, ‘সিলেটে অবকাঠোমোসহ অন্য সবদিক দিয়ে ভালো একাডেমি ছিল। কিন্তু চালানো যায়নি। এখন নতুন করে যদি এটাকে সামনের দিকে কাজে লাগানো যায়। আমরা ফিফার কাছে যাবো। সরকারের কাছেও যাবো। যদি সহযোগিতা পাওয়া যায়। এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে য়ারা পৃষ্ঠপোষক আছে, তাদের সঙ্গে কাজ করতে চাই। যেন তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবলার তৈরি করা যায়।’