‘অস্বীকৃতি’র জন্য স্বীকৃতি পেলেন মৌসুমী

- Update Time : ০৯:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩
- / ১২০ Time View
একটি কথা বেশ প্রচলিত, ‘যিনি রাঁধেন তিনি চুলও বাঁধেন।’- এ কালে এসে কথাটিকে অন্যভাবে বলা যায়, ‘যিনি উপস্থাপনা করেন তিনি অভিনয়ও পারেন।’ যার অনন্য দৃষ্টান্ত সময়ের জনপ্রিয় উপস্থাপিকা মৌসুমী মৌ। উপস্থাপনার পাশাপাশি ছোট পর্দা এবং মঞ্চে তার দক্ষ অভিনয় ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলেছে দর্শকদের মধ্যে।
সম্প্রতি মরক্কোতে ৩৫তম আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটার উৎসবে অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশন (ডুমা)।
‘অস্বীকৃতি’ দিয়ে সেরা নারী পারফরমারের স্বীকৃতি পেলেন দলটির সদস্য মৌসুমী মৌ। মরক্কোর প্রাচীন শহর কাসাব্ল্যাংকায় অবস্থিত দ্বিতীয় হাসান ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয় ৩৫তম নাট্যোৎসব। মোট ৭টি ক্যাটাগরি ছিল দেওয়া হয় পুরস্কার।
এতে বেস্ট কোরিওগ্রাফির পুরস্কার পেয়েছে ইতালি, বেস্ট সিনোগ্রাফি ইতালি, বেস্ট ফিমেল অ্যাক্টর যৌথভাবে মরোক্কো বেস্ট অ্যাক্ট্রেস বাংলাদেশ (মৌসুমী মৌ ও মরোক্কো সামিয়া এলয়াসুলি), বেস্ট ডিরেক্টর জার্মানি, বেস্ট স্ক্রিপ্ট রাইটার মরোক্কো দ্য স্পেশাল প্রাইস অব জুরি।
বেস্ট ফিমেল অ্যাক্টর যৌথভাবে মরোক্কো বেস্ট অ্যাক্ট্রেস বাংলাদেশ (মৌসুমী মৌ ও মরোক্কো (সামিয়া) ‘অস্বীকৃতি’ রচনা ও নির্দেশনায় আছেন শাহরিয়ার শাওন।
অভিনয় করেছেন মৌসুমী মৌ, মো. মেহেদী হাসান সোহান, শাহরিয়ার শাওন এবং মীর লোকমান। মৌয়ের হাতে সেরা পারফরমারের পুরস্কার তুলে দেওয়ার সময় পাশে ছিলেন বাংলাদেশ দলের দলনেতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক তাওহিদা জাহান।
মরক্কোতে ৩৫তম আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটার উৎসবে ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশন (ডুমা) এর প্রতিনিধিদল মরক্কো থেকে মেহেদী হাসান সোহান সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ‘আমরা আমাদের সেরা পারফরম্যান্স টাই করার চেষ্টা করেছি। মনে মনে আশাও ছিলো কোনো একটা পুরস্কার পাবো। আর যখন বেস্ট ফিমেল পারফরমার নমিনী ঘোষণা করলো তখন মৌসুমি আপুর নাম শুনে এত আনন্দ লাগতেছিল যা বলো বোঝানো যাবে না।
অবশেষে যখন বেস্ট ফিমেল পারফরমার আমাদের তখন পুরা অডিটোরিয়াম জুড়ে বাংলাদেশ-বাংলাদেশ রব। আমাদের প্রশংসা করেছে সবাই। এই আমাদের অনেক বড় একটি অর্জন। এই অর্জন ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশনের, পুরো বাংলাদেশের।’
গত বৃহস্পতিবার ‘অস্বীকৃতি’, ‘চেয়ার: দ্য সাইন অব পাওয়ার’, ‘ভালোবাসা’ এবং ‘অতঃপর, সুবোধ পালাবে না আর’-চারটি স্কেচ নিয়ে ৪০ মিনিটের প্রযোজনাটি পরিবেশন করেছেন বাংলাদেশের শিল্পীরা।
মাইম অ্যাকশন ও মূকাভিনয়ের অ্যাকাডেমিক প্ল্যাটফর্ম ইনস্টিটিউট অব মাইম অ্যান্ড মুভমেন্টের সমন্বয়ে পরিবেশিত হয়েছে প্রযোজনাটি।
২৪ জুলাই শুরু হওয়া এই নাট্যোৎসব শেষ হয় রোববার। মরক্কোতে ৩৫তম আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটার উৎসবে আয়োজকদের সঙ্গে পুরস্কাপ্রাপ্তরা।