ঢাকা ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ
বিমানবন্দর-টঙ্গী থেকে ধারালো অস্ত্রসহ ৮ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার কিশোরগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলের উন্নয়ন খাতের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সাংবাদিককে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা ও গ্র্যাজুয়েট হতে হবে বেনজীরের আরও ১১৩ দলিলের সম্পদ ও গুলশানের ৪টি ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ সুজানগরে গৃহবধূকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে কাউকে ছাড় দেব না : ইসি রাশেদা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে একটি বাড়ি থেকে ১২ কোটি রুপির স্বর্ণ জব্দ সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রেরণের আহ্বান প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর ঝালকাঠিতে রেমালের প্রভাবে নদীর পানি বেড়েছে ২১৭ নেতাকে বহিষ্কার করল বিএনপি

স্মৃতি শক্তি হারিয়ে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছেন সাবেক এমপি কামাল হায়দার

আলম খান
  • Update Time : ১২:৪৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪
  • / ৬৭ Time View

নরসিংদী জেলা শিবপুর উপজেলার চক্রধা ইউনিয়নের বৈলাব গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন কামাল হায়দার। দাদা মরহুম আইয়ুব আলী সরকার, পিতা,মরহুম ইদ্রিস আলী মাস্টার। ইদ্রিস আলী মাস্টার শিবপুর থানা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দ্বায়িত্ব পালন করেন।

কামাল হায়দার জন্ম সুষ্ঠু ধারার রাজনীতির জন্য, রাজনীতির করার কারণে গ্রামের বাড়ি থেকে ঢাকায় চাল,ডাল পাঠানো হতো। শিবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ার সময় ছাত্র ইউনিয়ন রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়। পরবর্তীতে ন্যাপ মোজ্জাফর এর রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়। তিন জোটের রাজনৈতিক লিয়াজো কমিটির অন্যতম সংগঠন ছিলেন।

এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সময় ড:কামাল হোসেন সাহেবের বাসা থেকে ৮০ নেতা গ্রেফতার হয়। তাদের মধ্যে ড:কামাল হোসেন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আ:মান্নান, আবদুল সামাদ, কামাল হায়দার এমপি গ্রেফতার হোন। পরবর্তীতে কাজী জাফর এরশাদ সরকারের মন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব দেন, তিনি তা প্রত্যাখান করেন।

এরপর উনার বাসায় প্রায় সময়ই পুলিশ হানা দিত, পুলিশের হানার কারণে ছোট ছোট ছেলে, মেয়ে পরিবারের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করতো।

উনি ভারত যাওয়ার সর্ব প্রথম বাম নেতা ছিলেন। শিবপুর রাজনৈতিক বৈষম্যের কারণে” মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে সাবেক এমপি কামাল হায়দার সাহেবের” নাম বাতিল করা হয়। কিছুদিন পূর্বে মেঝ ভাই ইকবাল হায়দার মৃত্যু বরন করেন। আরেক ভাই জাকারিয়া হায়দার পিন্টু ৪ বার স্ট্রোক করে। ছোট ভাই মাসুদ হায়দার, ফান্স শাখা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি।

কামাল হায়দার সাহেব খুবই সৎ একজন ব্যক্তি ছিলেন, বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এরশাদ বিরোধী আন্দোলন পতনের রুপরেখা তৎকালীন সময়ে বিশাল জনসভায় কামাল হায়দার দিয়ে পাঠ করনো হয়। উনি সংসার চালানোর জন্য সাংবাদিকতা করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিকতা বিভাগে অর্নাস ও মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন। বর্তমান বাংলাদেশের সিনিয়র রাজনীতিবিদ, তোফায়েল ভাই, আমির আমু,রাশেদ খান মেনন উনাদের স্মৃতিচারনে অনেক সময় আলোচনা টেবিলে কামাল হায়দার স্থান পায়।

কামাল হায়দার এমপি সাহেবের ১ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে। ছেলে তানভীর হায়দার পাভেল, সিটি গ্রুপের সিনিয়র ডাইরেক্টর, ছেলের বউ ডাক্তার ও আর্মি মেজর, মেয়ে সুপ্তি হায়দার ব্রিটিশ কাউন্সিলে চাকুরী করেন।

বর্তমানে কামাল হায়দার সাহেব ছেলের বাসা ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, বাসা:১২৭,বাগান বাড়িতে স্মৃতি শক্তি হারিয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।

কামাল হায়দার সাহেবের ছোট ভাই মেজর ইকবাল হায়দার ও চাচাতো ভাই শিবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রবীণ শিক্ষক আ:মতিন মাস্টার মৃত্যুতে তা বুঝতে পারেননি। উনি যে কোন সময় না ফেরার দেশে পাড়ি জমাতে পারেন। উনার শারীরিক সুস্থতার জন্য ছোট ভাই জাকারিয়া হায়দার পিন্টু রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংবাদিক মহল ও দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

স্মৃতি শক্তি হারিয়ে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছেন সাবেক এমপি কামাল হায়দার

Update Time : ১২:৪৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪

নরসিংদী জেলা শিবপুর উপজেলার চক্রধা ইউনিয়নের বৈলাব গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন কামাল হায়দার। দাদা মরহুম আইয়ুব আলী সরকার, পিতা,মরহুম ইদ্রিস আলী মাস্টার। ইদ্রিস আলী মাস্টার শিবপুর থানা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দ্বায়িত্ব পালন করেন।

কামাল হায়দার জন্ম সুষ্ঠু ধারার রাজনীতির জন্য, রাজনীতির করার কারণে গ্রামের বাড়ি থেকে ঢাকায় চাল,ডাল পাঠানো হতো। শিবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ার সময় ছাত্র ইউনিয়ন রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়। পরবর্তীতে ন্যাপ মোজ্জাফর এর রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়। তিন জোটের রাজনৈতিক লিয়াজো কমিটির অন্যতম সংগঠন ছিলেন।

এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সময় ড:কামাল হোসেন সাহেবের বাসা থেকে ৮০ নেতা গ্রেফতার হয়। তাদের মধ্যে ড:কামাল হোসেন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আ:মান্নান, আবদুল সামাদ, কামাল হায়দার এমপি গ্রেফতার হোন। পরবর্তীতে কাজী জাফর এরশাদ সরকারের মন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব দেন, তিনি তা প্রত্যাখান করেন।

এরপর উনার বাসায় প্রায় সময়ই পুলিশ হানা দিত, পুলিশের হানার কারণে ছোট ছোট ছেলে, মেয়ে পরিবারের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করতো।

উনি ভারত যাওয়ার সর্ব প্রথম বাম নেতা ছিলেন। শিবপুর রাজনৈতিক বৈষম্যের কারণে” মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে সাবেক এমপি কামাল হায়দার সাহেবের” নাম বাতিল করা হয়। কিছুদিন পূর্বে মেঝ ভাই ইকবাল হায়দার মৃত্যু বরন করেন। আরেক ভাই জাকারিয়া হায়দার পিন্টু ৪ বার স্ট্রোক করে। ছোট ভাই মাসুদ হায়দার, ফান্স শাখা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি।

কামাল হায়দার সাহেব খুবই সৎ একজন ব্যক্তি ছিলেন, বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এরশাদ বিরোধী আন্দোলন পতনের রুপরেখা তৎকালীন সময়ে বিশাল জনসভায় কামাল হায়দার দিয়ে পাঠ করনো হয়। উনি সংসার চালানোর জন্য সাংবাদিকতা করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিকতা বিভাগে অর্নাস ও মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন। বর্তমান বাংলাদেশের সিনিয়র রাজনীতিবিদ, তোফায়েল ভাই, আমির আমু,রাশেদ খান মেনন উনাদের স্মৃতিচারনে অনেক সময় আলোচনা টেবিলে কামাল হায়দার স্থান পায়।

কামাল হায়দার এমপি সাহেবের ১ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে। ছেলে তানভীর হায়দার পাভেল, সিটি গ্রুপের সিনিয়র ডাইরেক্টর, ছেলের বউ ডাক্তার ও আর্মি মেজর, মেয়ে সুপ্তি হায়দার ব্রিটিশ কাউন্সিলে চাকুরী করেন।

বর্তমানে কামাল হায়দার সাহেব ছেলের বাসা ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, বাসা:১২৭,বাগান বাড়িতে স্মৃতি শক্তি হারিয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।

কামাল হায়দার সাহেবের ছোট ভাই মেজর ইকবাল হায়দার ও চাচাতো ভাই শিবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রবীণ শিক্ষক আ:মতিন মাস্টার মৃত্যুতে তা বুঝতে পারেননি। উনি যে কোন সময় না ফেরার দেশে পাড়ি জমাতে পারেন। উনার শারীরিক সুস্থতার জন্য ছোট ভাই জাকারিয়া হায়দার পিন্টু রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংবাদিক মহল ও দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।