ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদলিপি

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য জনগণকে ভুল বার্তা দিচ্ছেঃ বিএসএমএমইউ

স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : ১২:৪১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩
  • / ১৫০ Time View

‘বিএসএমএমইউর অনিয়ম খতিয়ে দেখা হবে:স্বাস্থ্যমন্ত্রী’ শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি সঠিক নয় বলে দাবী করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এবিষয়ে ৭ জুন, বুধবার রাত ১০ টা ২৯ মিনিটে এক ইমেইলের মাধ্যমে প্রতিবাদলিপি পাঠান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা জনাব প্রশান্ত কুমার মজুমদার।

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়,স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরাত দিয়ে যে বক্তব্য ছাপা হয়েছে সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ সংবাদটি সঠিক নয় ।

প্রতিবাদলিপিটি পাঠকদের স্বার্থে হুবহু তুলে ধরা হলো,

অদ্য ৭ জুন ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দে ‘বিএসএমএমইউর অনিয়ম খতিয়ে দেখা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী’ শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ সংবাদটি সঠিক নয় । সাম্প্রতিক সফল কাডাভারিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট, লিভার ট্রান্সপ্লান্ট এর মত সর্বাধুনিক চিকিৎসা সেবা, মানসম্মত মেডিকেল উচ্চ শিক্ষার প্রসার, উন্নত ও ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দোর গোড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে চলছে।

প্রকাশিত সংবাদটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা ও গতিশীল, সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা ব্যহত করার উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে।

প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যাসহ প্রতিবাদ নিম্নে প্রদান করা হলো।

প্রকাশিত সংবাদে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরাত দিয়ে যে বক্তব্য ছাপা হয়েছে সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য হলো: স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থায়ন করে ইউজিসি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সংস্থা হলো সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেটের সভাপতি মাননীয় উপাচার্য। বিএসএমএমইউ এর অধীনস্ত সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের গভর্নিং বডির সভাপতিও মাননীয় উপাচার্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট কর্তৃক অনুমোদিত নিয়োগ কমিটির সভাপতি সবসময়ই মাননীয় উপাচার্য।

কিন্তু বিএসএমএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের নিয়োগ কমিটিতে মাননীয় উপাচার্যের নির্দেশে ১ম-৯ম গ্রেডের জন্য সভাপতি প্রো-ভিসি প্রশাসন ও ১০-২০তম গ্রেডের জন্য প্রো-ভিসি গবেষণা ও উন্নয়নকে মনোনীত করা হয়েছে।

এখানে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য জনগণকে ভুল বার্তা দিচ্ছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মনে করছে। স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ মহোদয় নিজেই নিয়োগ কমিটি পুনর্গঠন করেছেন। মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটা তাঁর নিজস্ব ও ব্যক্তিগত মন্তব্য বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি উচ্চতর শিক্ষাগ্রহণে অনিয়মের আশ্রয়, যোগ্যতার ঘাটতি নিয়ে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি লাভ, পরিবারের সদস্যদের নিয়োগ, অনৈতিক উপায়ে অর্থ উত্তোলন, দরপত্রে অনিয়ম, নিয়োগে অনিয়ম ও সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধনের প্রায় এক বছর পরও এখনো পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করতে না পারাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে উঠেছে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে।

তার বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে বলে বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে আশ্বাস দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

Please Share This Post in Your Social Media

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদলিপি

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য জনগণকে ভুল বার্তা দিচ্ছেঃ বিএসএমএমইউ

Update Time : ১২:৪১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩

‘বিএসএমএমইউর অনিয়ম খতিয়ে দেখা হবে:স্বাস্থ্যমন্ত্রী’ শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি সঠিক নয় বলে দাবী করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এবিষয়ে ৭ জুন, বুধবার রাত ১০ টা ২৯ মিনিটে এক ইমেইলের মাধ্যমে প্রতিবাদলিপি পাঠান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা জনাব প্রশান্ত কুমার মজুমদার।

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়,স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরাত দিয়ে যে বক্তব্য ছাপা হয়েছে সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ সংবাদটি সঠিক নয় ।

প্রতিবাদলিপিটি পাঠকদের স্বার্থে হুবহু তুলে ধরা হলো,

অদ্য ৭ জুন ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দে ‘বিএসএমএমইউর অনিয়ম খতিয়ে দেখা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী’ শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ সংবাদটি সঠিক নয় । সাম্প্রতিক সফল কাডাভারিক ট্রান্সপ্ল্যান্ট, লিভার ট্রান্সপ্লান্ট এর মত সর্বাধুনিক চিকিৎসা সেবা, মানসম্মত মেডিকেল উচ্চ শিক্ষার প্রসার, উন্নত ও ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দোর গোড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে চলছে।

প্রকাশিত সংবাদটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা ও গতিশীল, সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা ব্যহত করার উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে।

প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যাসহ প্রতিবাদ নিম্নে প্রদান করা হলো।

প্রকাশিত সংবাদে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরাত দিয়ে যে বক্তব্য ছাপা হয়েছে সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য হলো: স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থায়ন করে ইউজিসি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সংস্থা হলো সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেটের সভাপতি মাননীয় উপাচার্য। বিএসএমএমইউ এর অধীনস্ত সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের গভর্নিং বডির সভাপতিও মাননীয় উপাচার্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট কর্তৃক অনুমোদিত নিয়োগ কমিটির সভাপতি সবসময়ই মাননীয় উপাচার্য।

কিন্তু বিএসএমএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের নিয়োগ কমিটিতে মাননীয় উপাচার্যের নির্দেশে ১ম-৯ম গ্রেডের জন্য সভাপতি প্রো-ভিসি প্রশাসন ও ১০-২০তম গ্রেডের জন্য প্রো-ভিসি গবেষণা ও উন্নয়নকে মনোনীত করা হয়েছে।

এখানে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য জনগণকে ভুল বার্তা দিচ্ছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মনে করছে। স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ মহোদয় নিজেই নিয়োগ কমিটি পুনর্গঠন করেছেন। মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটা তাঁর নিজস্ব ও ব্যক্তিগত মন্তব্য বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি উচ্চতর শিক্ষাগ্রহণে অনিয়মের আশ্রয়, যোগ্যতার ঘাটতি নিয়ে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি লাভ, পরিবারের সদস্যদের নিয়োগ, অনৈতিক উপায়ে অর্থ উত্তোলন, দরপত্রে অনিয়ম, নিয়োগে অনিয়ম ও সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধনের প্রায় এক বছর পরও এখনো পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করতে না পারাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে উঠেছে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে।

তার বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে বলে বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে আশ্বাস দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।