ঢাকা ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ
নীলফামারী শিল্পকলা মিলনায়তনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন

সাংবাদিকদের মিথ্যা খবরে খিচুড়ি প্রকল্পটা আলোর মুখ দেখেনি

Reporter Name
  • Update Time : ১০:২০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ মে ২০২৩
  • / ১১৭ Time View

খিচুড়ি নিয়ে সাংবাদিকদের মিথ্যা খবরে প্রকল্প আলোর মুখ দেখেনি বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

সোমবার (৮ মে) দুপুরে নীলফামারী শিল্পকলা মিলনায়তনে সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণ ও মা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, ‌আমাদের মিড ডে মিল ছিল। এখানে আমার একটা বোন বললেন খিচুড়ির কথা, ভাতের কথা। চিন্তা ভাবনা করে আমরা একটা কল্প দাঁড় করিয়েছিলাম। ১৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প ছিল। যা হোক, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এটাতে রাজি ছিল আমরা দেব। আমরা ভিন্ন জায়গায় এটার পাইলটিং করেছিলাম, বিভিন্ন উপজেলায় পাকের ঘর তৈরি করলাম। আমরা বিভিন্ন জায়গায় থেকে কীভাবে এটা করে, যে দেশগুলো করেছে যেমন ব্রাজিল পর্যন্ত আমি গেছি এগুলো দেখার জন্য। কীভাবে এতো বড় বিষয় তারা মেইনটেনেন্স করে দেখার জন্য গেলাম-আসলাম প্রকল্প চালু হবে। স্কুল হলো ৬৫ হাজার। ৬৫ হাজার স্কুলে আমরা এই খিচুড়ি, এটা আমরা খিচুড়ি বলি নাই বলেছি রান্না করা গরম খাবার যদি বাচ্চাদের দেওয়া যায় তাহলে আমাদের স্কুলে বাচ্চা-কাচ্চারা যাবে। ওদের মায়েদের চিন্তা থাকবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

নীলফামারী শিল্পকলা মিলনায়তনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন

সাংবাদিকদের মিথ্যা খবরে খিচুড়ি প্রকল্পটা আলোর মুখ দেখেনি

Update Time : ১০:২০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ মে ২০২৩

খিচুড়ি নিয়ে সাংবাদিকদের মিথ্যা খবরে প্রকল্প আলোর মুখ দেখেনি বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

সোমবার (৮ মে) দুপুরে নীলফামারী শিল্পকলা মিলনায়তনে সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণ ও মা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, ‌আমাদের মিড ডে মিল ছিল। এখানে আমার একটা বোন বললেন খিচুড়ির কথা, ভাতের কথা। চিন্তা ভাবনা করে আমরা একটা কল্প দাঁড় করিয়েছিলাম। ১৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প ছিল। যা হোক, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এটাতে রাজি ছিল আমরা দেব। আমরা ভিন্ন জায়গায় এটার পাইলটিং করেছিলাম, বিভিন্ন উপজেলায় পাকের ঘর তৈরি করলাম। আমরা বিভিন্ন জায়গায় থেকে কীভাবে এটা করে, যে দেশগুলো করেছে যেমন ব্রাজিল পর্যন্ত আমি গেছি এগুলো দেখার জন্য। কীভাবে এতো বড় বিষয় তারা মেইনটেনেন্স করে দেখার জন্য গেলাম-আসলাম প্রকল্প চালু হবে। স্কুল হলো ৬৫ হাজার। ৬৫ হাজার স্কুলে আমরা এই খিচুড়ি, এটা আমরা খিচুড়ি বলি নাই বলেছি রান্না করা গরম খাবার যদি বাচ্চাদের দেওয়া যায় তাহলে আমাদের স্কুলে বাচ্চা-কাচ্চারা যাবে। ওদের মায়েদের চিন্তা থাকবে না।