ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি

রাজশাহী প্রতিনিধি
  • Update Time : ১০:১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৮০ Time View

তীব্র শীতের মধ্যেও জীবিকার তাগিদে কাজে যাচ্ছেন শ্রমজীবী মানুষ।

রাজশাহীতে আজ মঙ্গলবার চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল শতভাগ। ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে রাস্তাঘাট ও প্রকৃতি। বয়ে যাচ্ছে উত্তরের হিমেল হাওয়া। এ তাপমাত্রাকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বলছে আবহাওয়া অফিস।

রাজশাহী অফিস জানায়, আগের দিন সোমবার সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ। বিকেল ৩টায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পার্থক্য কমে গেছে। সোমবারও সারাদিন সূর্যের দেখা মেলেনি।

এদিকে শীতের প্রকোপে খুব প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। ফলে রিকশা চালকরা পড়েছেন যাত্রী সংকটে। তারা বলছেন, যাত্রী না থাকায় রিকসার জমা টাকাও উঠছে না। রিকশা চালাতেও কষ্ট হচ্ছে। শীতে কষ্ট পাচ্ছেন ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষ।

এদিকে শীতের প্রকোপ বাড়তে থাকায় ঠান্ডাজনিত রোগবালাই বেশি দেখা দিয়েছে। শিশু ও বৃদ্ধরা ঠান্ডাজনিত ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি

রাজশাহী প্রতিনিধি
Update Time : ১০:১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

রাজশাহীতে আজ মঙ্গলবার চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল শতভাগ। ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে রাস্তাঘাট ও প্রকৃতি। বয়ে যাচ্ছে উত্তরের হিমেল হাওয়া। এ তাপমাত্রাকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বলছে আবহাওয়া অফিস।

রাজশাহী অফিস জানায়, আগের দিন সোমবার সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ। বিকেল ৩টায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পার্থক্য কমে গেছে। সোমবারও সারাদিন সূর্যের দেখা মেলেনি।

এদিকে শীতের প্রকোপে খুব প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। ফলে রিকশা চালকরা পড়েছেন যাত্রী সংকটে। তারা বলছেন, যাত্রী না থাকায় রিকসার জমা টাকাও উঠছে না। রিকশা চালাতেও কষ্ট হচ্ছে। শীতে কষ্ট পাচ্ছেন ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষ।

এদিকে শীতের প্রকোপ বাড়তে থাকায় ঠান্ডাজনিত রোগবালাই বেশি দেখা দিয়েছে। শিশু ও বৃদ্ধরা ঠান্ডাজনিত ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছেন।