ঢাকা ০৯:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রসিকের সেই কাউন্সিলর শিপলু কারাগারে

Reporter Name
  • Update Time : ০৮:১৮:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩
  • / ২০০ Time View

কামরুল হাসান টিটু, রংপুর ব্যুরো: রংপুর সিটি কর্পোরেশনের (রসিক) ১৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও তাজহাট থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া আলম শিপলুকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

শনিবার (৮ এপ্রিল) বেলা সোয়া একটার দিকে রংপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক আহসানুল হক রানার আদালতে তাকে তোলা হয়। সেখানে তার বিরুদ্ধে থাকা চারটি ওয়ারেন্টভুক্ত মামলার মধ্যে তিনটিতে আদালত জামিন মঞ্জুর করা হলেও ১৮১/২২ নম্বর চাঁদাবাজি মামলায় তার জামিন না মঞ্জুর করেন বিচারক।

কাউন্সিলর জাকারিয়া আলম শিপলু সড়ক ও জনপদ বিভাগের জমি জাল দলিল করে বিক্রির মামলায় এক বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত এবং ৪টি মামলার ওয়ারেন্টসহ একাধিক মামলার আসামি। শুক্রবার (৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯ টায় তাকে নগরীর বিনোদপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পর পুলিশের গাড়িতে না নিয়ে তাকে নিজ গাড়িতে করে কোতয়ালী থানায় নিয়ে আসা হয়।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় কোতয়ালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমানের ব্যবহৃত সরকারি গাড়ির ডাবল ডেকার সিটে বসিয়ে তাকে আদালতে নেয়া হয়। আদালতে নেয়ার পর তাকে মেট্রোপলিটন হাজতখানায় রাখা হয়। পরে সোয়া একটার দিকে তাকে আদালতে তোলা হয়।

আসামি জাকারিয়া আলম শিপলুর আইনজীবি মাহমুদুল হক সেলিম জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টায় তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট থাকা চারটি মামলার মধ্যে তিনটি মামলায় আদালত জামিন মঞ্জুর করেছেন। আর একটি মামলায়  জেলা ও দায়রা জজ আদালতে থাকার কারণে সেটির শুনানী করা সম্ভব হয় নি। সেই মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রংপুর মেট্রোপলিটনের কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ রহমান বলেন, কোতোয়ালি থানার তিনটি, তাজহাট থানায় একটিসহ চারটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় পুলিশ জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানায় নেয়। এর মধ্যে বিদ্যুতের বিল বকেয়া রাখার অভিযোগে দুটি এবং জমি দখল ও মারামারিসংক্রান্ত দুটি মামলা আছে।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন জানিয়েছেন,  রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাকারিয়া আলম শিপলুকে  মামলার ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে জমি দখল, বাড়ি নির্মাণে বাধা দেয়া, ভাঙচুর,  মারপিট, চাঁদাবাজির অভিযোগে জিআর ২৪৪/২২ ও ১৮১/২২ টি এবং বিদ্যুৎ কোর্টের সিআর ৪০৫৪/২২সহ চারটি মামলার ওয়ারেন্ট ছিল।

পুলিশের এই  কর্মকর্তা আরও জানান,  শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টায় নগরীর বিনোদপুর এলাকার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আরো একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়াও তিনি একটি মামলার এক বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। ওয়ারেন্টগুলো আগেই আদালত জারি করলেও প্রক্রিয়াগতভাবে ওয়ারেন্টগুলো আমাদের কাছে না থাকায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে আদালত থেকে প্রাপ্ত হওয়ার পর পরই তাকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

এর আগে গতকাল বিকেলে জাকারিয়া নগরের দর্শনা মোড় রেলগেট এলাকায় তাঁর ভগ্নিপতির বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ সময় শিপলুকে গ্রেপ্তার করতে যায় পুলিশ। তবে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তের মধ্যে স্থানীয় লোকজন ও দলের নেতা-কর্মীরা পুরো বাড়ি ঘিরে ফেলেন। এতে পুলিশ বাড়ির ভেতরে ঢুকতে বাধা পায়। এদিকে সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দলের নেতা-কর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে, সঙ্গে পুলিশের সংখ্যাও বাড়তে থাকে।

একপর্যায়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জাকারিয়ার সঙ্গে কয়েক দফায় কথা বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু নেতা-কর্মী ও এলাকাবাসীর বাধার মুখে সেটাও সম্ভব হয়নি। পরে রাত সাড়ে নয়টার দিকে আলোচনার কথা বলে নেতা-কর্মী ও এলাকাবাসীর বাধার মুখেই জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানায় নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, সংবাদ প্রকাশের জেরে গত বুধবার যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিক সরকার মাজহারুল মান্নানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন করেন আওয়ামী লীগ নেতা জাকারিয়া। আদালতের বিচারক ড. আবদুল মজিদ অভিযোগটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবি আই) মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন স্থানীয় বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ (৫৫) ও রংপুর সিটি করপোরেশনের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শাফিউল ইসলাম শাফি (৫০)।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১ এপ্রিল রাত ৯টায় যমুনা টেলিভিশনের অপরাধ অনুসন্ধানমূলক অনুষ্ঠান ‘ক্রাইম সিনে’ কাউন্সিলর জাকারিয়া আলমকে ভূমিদস্যু আখ্যায়িত করে, সরকারি দলের নামে সন্ত্রাসী বাহিনী তৈরি, সাধারণ মানুষকে হয়রানিসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রচারিত হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে আসামিরা যোগসাজশ করে কাউন্সিলর জাকারিয়ার মানহানি, সুনাম ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করেছেন। একই সঙ্গে বর্তমান সরকার তথা স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তিকে দুর্বল ও জনবিচ্ছিন্ন করতে অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এদিকে মামলা করার পরদিন গত বৃহস্পতিবার রংপুরের সাংবাদিক সমাজের ব্যানারে মানববন্ধন থেকে মামলার আবেদন প্রত্যাহারসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি জাকারিয়াকে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

রসিকের সেই কাউন্সিলর শিপলু কারাগারে

Update Time : ০৮:১৮:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩

কামরুল হাসান টিটু, রংপুর ব্যুরো: রংপুর সিটি কর্পোরেশনের (রসিক) ১৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও তাজহাট থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া আলম শিপলুকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

শনিবার (৮ এপ্রিল) বেলা সোয়া একটার দিকে রংপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক আহসানুল হক রানার আদালতে তাকে তোলা হয়। সেখানে তার বিরুদ্ধে থাকা চারটি ওয়ারেন্টভুক্ত মামলার মধ্যে তিনটিতে আদালত জামিন মঞ্জুর করা হলেও ১৮১/২২ নম্বর চাঁদাবাজি মামলায় তার জামিন না মঞ্জুর করেন বিচারক।

কাউন্সিলর জাকারিয়া আলম শিপলু সড়ক ও জনপদ বিভাগের জমি জাল দলিল করে বিক্রির মামলায় এক বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত এবং ৪টি মামলার ওয়ারেন্টসহ একাধিক মামলার আসামি। শুক্রবার (৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯ টায় তাকে নগরীর বিনোদপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পর পুলিশের গাড়িতে না নিয়ে তাকে নিজ গাড়িতে করে কোতয়ালী থানায় নিয়ে আসা হয়।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় কোতয়ালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমানের ব্যবহৃত সরকারি গাড়ির ডাবল ডেকার সিটে বসিয়ে তাকে আদালতে নেয়া হয়। আদালতে নেয়ার পর তাকে মেট্রোপলিটন হাজতখানায় রাখা হয়। পরে সোয়া একটার দিকে তাকে আদালতে তোলা হয়।

আসামি জাকারিয়া আলম শিপলুর আইনজীবি মাহমুদুল হক সেলিম জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টায় তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট থাকা চারটি মামলার মধ্যে তিনটি মামলায় আদালত জামিন মঞ্জুর করেছেন। আর একটি মামলায়  জেলা ও দায়রা জজ আদালতে থাকার কারণে সেটির শুনানী করা সম্ভব হয় নি। সেই মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রংপুর মেট্রোপলিটনের কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ রহমান বলেন, কোতোয়ালি থানার তিনটি, তাজহাট থানায় একটিসহ চারটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় পুলিশ জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানায় নেয়। এর মধ্যে বিদ্যুতের বিল বকেয়া রাখার অভিযোগে দুটি এবং জমি দখল ও মারামারিসংক্রান্ত দুটি মামলা আছে।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন জানিয়েছেন,  রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাকারিয়া আলম শিপলুকে  মামলার ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে জমি দখল, বাড়ি নির্মাণে বাধা দেয়া, ভাঙচুর,  মারপিট, চাঁদাবাজির অভিযোগে জিআর ২৪৪/২২ ও ১৮১/২২ টি এবং বিদ্যুৎ কোর্টের সিআর ৪০৫৪/২২সহ চারটি মামলার ওয়ারেন্ট ছিল।

পুলিশের এই  কর্মকর্তা আরও জানান,  শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টায় নগরীর বিনোদপুর এলাকার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আরো একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়াও তিনি একটি মামলার এক বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। ওয়ারেন্টগুলো আগেই আদালত জারি করলেও প্রক্রিয়াগতভাবে ওয়ারেন্টগুলো আমাদের কাছে না থাকায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে আদালত থেকে প্রাপ্ত হওয়ার পর পরই তাকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

এর আগে গতকাল বিকেলে জাকারিয়া নগরের দর্শনা মোড় রেলগেট এলাকায় তাঁর ভগ্নিপতির বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ সময় শিপলুকে গ্রেপ্তার করতে যায় পুলিশ। তবে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তের মধ্যে স্থানীয় লোকজন ও দলের নেতা-কর্মীরা পুরো বাড়ি ঘিরে ফেলেন। এতে পুলিশ বাড়ির ভেতরে ঢুকতে বাধা পায়। এদিকে সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দলের নেতা-কর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে, সঙ্গে পুলিশের সংখ্যাও বাড়তে থাকে।

একপর্যায়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জাকারিয়ার সঙ্গে কয়েক দফায় কথা বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু নেতা-কর্মী ও এলাকাবাসীর বাধার মুখে সেটাও সম্ভব হয়নি। পরে রাত সাড়ে নয়টার দিকে আলোচনার কথা বলে নেতা-কর্মী ও এলাকাবাসীর বাধার মুখেই জাকারিয়াকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানায় নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, সংবাদ প্রকাশের জেরে গত বুধবার যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিক সরকার মাজহারুল মান্নানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন করেন আওয়ামী লীগ নেতা জাকারিয়া। আদালতের বিচারক ড. আবদুল মজিদ অভিযোগটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবি আই) মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন স্থানীয় বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ (৫৫) ও রংপুর সিটি করপোরেশনের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শাফিউল ইসলাম শাফি (৫০)।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১ এপ্রিল রাত ৯টায় যমুনা টেলিভিশনের অপরাধ অনুসন্ধানমূলক অনুষ্ঠান ‘ক্রাইম সিনে’ কাউন্সিলর জাকারিয়া আলমকে ভূমিদস্যু আখ্যায়িত করে, সরকারি দলের নামে সন্ত্রাসী বাহিনী তৈরি, সাধারণ মানুষকে হয়রানিসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রচারিত হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে আসামিরা যোগসাজশ করে কাউন্সিলর জাকারিয়ার মানহানি, সুনাম ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করেছেন। একই সঙ্গে বর্তমান সরকার তথা স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তিকে দুর্বল ও জনবিচ্ছিন্ন করতে অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এদিকে মামলা করার পরদিন গত বৃহস্পতিবার রংপুরের সাংবাদিক সমাজের ব্যানারে মানববন্ধন থেকে মামলার আবেদন প্রত্যাহারসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি জাকারিয়াকে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।