ঢাকা ১১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ
লন্ডনে ‘ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ অগ্রযাত্রায় আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত সিলেটে বন্যায় ৭ লাখ ৭২ হাজার শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হাঁড়িভাঙ্গা আম ও সবজি সংরক্ষণের মিঠাপুকুরে বিশেষায়িত হিমাগার স্থাপিত হবে – কৃষিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ভারত-চীন সফরেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথ সুগম করার দাবি সৈয়দপুর হিউম্যানিটি ইন ডিস্ট্রেস (হিড) এর কোরবানি প্রোগ্রামে ১৪,৩৯,০০০ টাকার দুর্নীতির অভিযোগ নামাজ-পড়ালেখা নিয়ে শাসন করায় ফাঁস নিল কিশোরী ১ম বঙ্গবন্ধু ইন্দো-বাংলা ফুটসাল সিরিজের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দেশে নয়টি ড্রেজিং স্টেশন তৈরি করা হচ্ছে : সিলেটে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সিলেটে জনদুর্ভোগ অব্যাহত; পানি কোথাও কমছে কোথাও বাড়ছে তিস্তার পানি কমতে শুরু করেছে, বাড়ছে নদীভাঙন
বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ চায় কৃষকরা

রংপুরে সবজি সংরক্ষণে হিমাগার ও কৃষিভিত্তিক শিল্প-কলকারখানা নির্মাণের দাবি

আলমগীর হো‌সেন অপু, রংপুর জেলা প্রতি‌নি‌ধি
  • Update Time : ০৪:৫২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪
  • / ৩৪ Time View

আসন্ন জাতীয় বাজেটে রংপুর অঞ্চলে আলুসহ সবজি সংরক্ষণে হিমাগার ও কৃষিভিত্তিক শিল্প-কলকারখানা নির্মাণে বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে কৃষক সংগ্রাম পরিষদ। হিমাগার না থাকায় প্রতিবছর সবজি পচে ১০ হাাজার কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে।

শনিবার (০১ জুন) দুপুরে রংপুর প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়।

কৃষক সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন- সংগঠনের সদস্য সবুজ রায়, আতোয়ার রহমান বাবু, স্বপন রায়, রেদোয়ান ফেরদৌস, মজিবার রহমান প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, উত্তরাঞ্চল দেশের শস্য ভান্ডার বলে খ্যাত। এই অঞ্চলে শুধুমাত্র সবজি সংরক্ষণের জন্য হিমাগার না থাকায় প্রতিবছর উৎপাদিত সবজির ৩০ শতাংশ পচে নষ্ট হয়ে যায়। যার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। দেশে প্রতিবছর সবজির চাহিদা ১ কোটি ৫২ লক্ষ টন। সরকারি হিমাগার না থাকায় পচে যাওয়ার আশংকায় উৎপাদক কৃষক পানির দরে সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হয়।

কৃষক নেতারা বলেন, একদিকে সার, ডিজেল, কীটনাশকসহ উৎপাদনের উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি অন্যদিকে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে কৃষক ধারাবাহিকভাবে লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে। প্রতিবছর বাজেটে কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তূকির পরিমাণ বৃদ্ধির পরিবর্তে কমানো হচ্ছে। কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং সহজ শর্তে বিনাসুদে ঋণের ব্যবস্থা করা খুব জরুরি। এটা এখন সময়ের দাবি।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, দারিদ্র্যপীড়িত রংপুর অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি তথা অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কৃষিভিত্তিক শিল্প কলকারখানা স্থাপনের বিকল্প নেই। অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় বরাদ্দ কমিয়ে উন্নয়ন বাজেটের ৪০ শতাংশ কৃষি খাতে বরাদ্দ করা প্রয়োজন। এসময় রংপুর অঞ্চলে আলুসহ সবজি সংরক্ষণের জন্য হিমাগার এবং কৃষিভিত্তিক শিল্প-কলকারখানা নির্মাণে বিশেষ বরাদ্দের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানান নেতারা।

সমাবেশ শেষে একটি মিছিল নগরীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে রংপুর নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকরা অংশ নেন।

Please Share This Post in Your Social Media

বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ চায় কৃষকরা

রংপুরে সবজি সংরক্ষণে হিমাগার ও কৃষিভিত্তিক শিল্প-কলকারখানা নির্মাণের দাবি

Update Time : ০৪:৫২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

আসন্ন জাতীয় বাজেটে রংপুর অঞ্চলে আলুসহ সবজি সংরক্ষণে হিমাগার ও কৃষিভিত্তিক শিল্প-কলকারখানা নির্মাণে বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে কৃষক সংগ্রাম পরিষদ। হিমাগার না থাকায় প্রতিবছর সবজি পচে ১০ হাাজার কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে।

শনিবার (০১ জুন) দুপুরে রংপুর প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়।

কৃষক সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন- সংগঠনের সদস্য সবুজ রায়, আতোয়ার রহমান বাবু, স্বপন রায়, রেদোয়ান ফেরদৌস, মজিবার রহমান প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, উত্তরাঞ্চল দেশের শস্য ভান্ডার বলে খ্যাত। এই অঞ্চলে শুধুমাত্র সবজি সংরক্ষণের জন্য হিমাগার না থাকায় প্রতিবছর উৎপাদিত সবজির ৩০ শতাংশ পচে নষ্ট হয়ে যায়। যার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। দেশে প্রতিবছর সবজির চাহিদা ১ কোটি ৫২ লক্ষ টন। সরকারি হিমাগার না থাকায় পচে যাওয়ার আশংকায় উৎপাদক কৃষক পানির দরে সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হয়।

কৃষক নেতারা বলেন, একদিকে সার, ডিজেল, কীটনাশকসহ উৎপাদনের উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি অন্যদিকে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে কৃষক ধারাবাহিকভাবে লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে। প্রতিবছর বাজেটে কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তূকির পরিমাণ বৃদ্ধির পরিবর্তে কমানো হচ্ছে। কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং সহজ শর্তে বিনাসুদে ঋণের ব্যবস্থা করা খুব জরুরি। এটা এখন সময়ের দাবি।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, দারিদ্র্যপীড়িত রংপুর অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি তথা অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কৃষিভিত্তিক শিল্প কলকারখানা স্থাপনের বিকল্প নেই। অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় বরাদ্দ কমিয়ে উন্নয়ন বাজেটের ৪০ শতাংশ কৃষি খাতে বরাদ্দ করা প্রয়োজন। এসময় রংপুর অঞ্চলে আলুসহ সবজি সংরক্ষণের জন্য হিমাগার এবং কৃষিভিত্তিক শিল্প-কলকারখানা নির্মাণে বিশেষ বরাদ্দের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানান নেতারা।

সমাবেশ শেষে একটি মিছিল নগরীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে রংপুর নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকরা অংশ নেন।