ঢাকা ০৩:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রংপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার আরও ১

Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৫৯:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ মে ২০২৩
  • / ৭৫ Time View

কামরুল হাসান টিটু,রংপুর ব্যুরো: রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে হ্যান্ডকাপ পড়িয়ে যুবককে বাড়ি থেকে অপহরণ, মারপিট ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে করা মামলায় সুরুজ মিয়া নামে (৩৫) আরেকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার বিকেলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে শনিবার (৬ মে) রাতে পাবনা সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সুরুজ মিয়া গঙ্গাচড়া উপজেলার আলমবিদিতর ইউনিয়নের মণ্ডলের হাট গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে। এরও আগে গত ১৭ এপ্রিল পঞ্চগড় থেকে পুলিশ কনস্টেবল মাসুদ রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মাসুদ রানা গঙ্গাচড়া উপজেলার আলমবিদিতর ইউনিয়নের পশ্চিম মনিরাম এলাকার আব্দুল ওয়াহেদ মিয়ার ছেলে। তিনি রংপুর রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স থেকে পঞ্চগড় পুলিশ লাইন্সে প্রেষণে কর্মরত ছিলেন।

সোমবার (৮ মে) দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে গঙ্গাচড়ায মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল হোসেন জানান, সুরুজ মিয়াকে গ্রেপ্তারের পর রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে এই মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১০ এপ্রিল রাত ১টায় গঙ্গাচড়া উপজেলার আলমবিদিতর ইউনিয়নের চওড়াপাড়া গ্রামের নূর ইসলাম আপাছের বাড়িতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে অজ্ঞাত ৭ জন যুবক ঢুকে তার ছেলে যুবক সোনা মিয়াকে মারপিট করে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। পরে সোনা মিয়ার প্রতিবেশী সুরুজ মিয়ার মাধ্যমে অপহরণকারীরা ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। খবর পেয়ে ওই রাতেই পার্শ্ববর্তী নোহালী ইউনিয়নের একটি চাতাল থেকে সোনা মিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় ১০ এপ্রিল অজ্ঞাত অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে গঙ্গাচড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সোনা মিয়ার বাবা নূর ইসলাম।

Please Share This Post in Your Social Media

রংপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার আরও ১

Update Time : ০৪:৫৯:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ মে ২০২৩

কামরুল হাসান টিটু,রংপুর ব্যুরো: রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে হ্যান্ডকাপ পড়িয়ে যুবককে বাড়ি থেকে অপহরণ, মারপিট ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে করা মামলায় সুরুজ মিয়া নামে (৩৫) আরেকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার বিকেলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে শনিবার (৬ মে) রাতে পাবনা সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সুরুজ মিয়া গঙ্গাচড়া উপজেলার আলমবিদিতর ইউনিয়নের মণ্ডলের হাট গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে। এরও আগে গত ১৭ এপ্রিল পঞ্চগড় থেকে পুলিশ কনস্টেবল মাসুদ রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মাসুদ রানা গঙ্গাচড়া উপজেলার আলমবিদিতর ইউনিয়নের পশ্চিম মনিরাম এলাকার আব্দুল ওয়াহেদ মিয়ার ছেলে। তিনি রংপুর রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স থেকে পঞ্চগড় পুলিশ লাইন্সে প্রেষণে কর্মরত ছিলেন।

সোমবার (৮ মে) দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে গঙ্গাচড়ায মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল হোসেন জানান, সুরুজ মিয়াকে গ্রেপ্তারের পর রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে এই মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১০ এপ্রিল রাত ১টায় গঙ্গাচড়া উপজেলার আলমবিদিতর ইউনিয়নের চওড়াপাড়া গ্রামের নূর ইসলাম আপাছের বাড়িতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে অজ্ঞাত ৭ জন যুবক ঢুকে তার ছেলে যুবক সোনা মিয়াকে মারপিট করে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। পরে সোনা মিয়ার প্রতিবেশী সুরুজ মিয়ার মাধ্যমে অপহরণকারীরা ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। খবর পেয়ে ওই রাতেই পার্শ্ববর্তী নোহালী ইউনিয়নের একটি চাতাল থেকে সোনা মিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় ১০ এপ্রিল অজ্ঞাত অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে গঙ্গাচড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সোনা মিয়ার বাবা নূর ইসলাম।