ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নওগাঁয়, বিপর্যস্ত জনজীবন

নওগাঁ প্রতিনিধি
  • Update Time : ১০:১৮:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১৩০ Time View

কুয়াশায় ছেয়ে গেছে চারপাশ।

নওগাঁয় জেঁকে বসেছে হাড় কাঁপানো শীত। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে জেলার আবহাওয়া অফিস এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে। তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কারণে এ জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও শ্রমজীবী মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন।

ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসের কারণে দিনের বেলাতেও সূর্যের দেখা মিলছে না অনেক সময়। ফলে রাস্তাঘাটে যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ঘন কুয়াশার সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাসে মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। ভোর থেকেই কুয়াশায় ঢাকা পড়ে আছে পথঘাট। সড়কগুলোতে দুর্ঘটনা এড়াতে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহনগুলো চলাচল করছে। শহরে লোক ও যানবাহন চলাচল অনেক কম। মাঠে কৃষিকাজ প্রায় হচ্ছেই না। শীতার্ত ও ছিন্নমূল মানুষেরা কনকনে শীতের তীব্রতা থেকে রক্ষার জন্য অনেকেই বাড়ির আঙিনা ও ফুটপাতসহ চায়ের দোকানের চুলায় বসে আগুন পোহাচ্ছেন।

কৃষক সামিউল তুষার বলেন, অনেক ঠান্ডা পড়ছে। এই ঠান্ডায় জমিতে যেতেই ভয় লাগে। তারপরও যেতে হয়।

বদলগাছী কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় জেলায় ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গত তিন দিন আগেও জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমছে। উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়ার কারণে আগামী কয়েক দিন শীতের এই তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের মতে, যখন কোনো এলাকায় তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে তখন তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি হলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এবং তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলে।

Please Share This Post in Your Social Media

মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নওগাঁয়, বিপর্যস্ত জনজীবন

নওগাঁ প্রতিনিধি
Update Time : ১০:১৮:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

নওগাঁয় জেঁকে বসেছে হাড় কাঁপানো শীত। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে জেলার আবহাওয়া অফিস এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে। তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কারণে এ জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও শ্রমজীবী মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন।

ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসের কারণে দিনের বেলাতেও সূর্যের দেখা মিলছে না অনেক সময়। ফলে রাস্তাঘাটে যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ঘন কুয়াশার সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাসে মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। ভোর থেকেই কুয়াশায় ঢাকা পড়ে আছে পথঘাট। সড়কগুলোতে দুর্ঘটনা এড়াতে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহনগুলো চলাচল করছে। শহরে লোক ও যানবাহন চলাচল অনেক কম। মাঠে কৃষিকাজ প্রায় হচ্ছেই না। শীতার্ত ও ছিন্নমূল মানুষেরা কনকনে শীতের তীব্রতা থেকে রক্ষার জন্য অনেকেই বাড়ির আঙিনা ও ফুটপাতসহ চায়ের দোকানের চুলায় বসে আগুন পোহাচ্ছেন।

কৃষক সামিউল তুষার বলেন, অনেক ঠান্ডা পড়ছে। এই ঠান্ডায় জমিতে যেতেই ভয় লাগে। তারপরও যেতে হয়।

বদলগাছী কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় জেলায় ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গত তিন দিন আগেও জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমছে। উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা হিমেল হাওয়ার কারণে আগামী কয়েক দিন শীতের এই তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের মতে, যখন কোনো এলাকায় তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে তখন তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি হলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এবং তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলে।