ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
চার ভবনে নজরদারি

মেট্রোরেলে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় ২০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১৯:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মে ২০২৩
  • / ৮০ Time View

মেট্রোরেলে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে চারটি বাণিজ্যিক ভবন নজরদারিতে রেখেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

বুধবার (১০ মে) বিকালে কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মেট্রোরেলে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারটি ভবন সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। ওই চার ভবনের অন্তত ২০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের মধ্যেই কোনো একজন মেট্রোরেলে ঢিল ছুড়েছেন। তাদের গতিবিধি নজরদারিতে রাখা হয়েছে। শিগগির এ ঘটনায় জড়িতকে শনাক্ত করা হবে।

গত ৩০ এপ্রিল বেলা ১১টা ৫ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে শেওড়াপাড়া এলাকায় মেট্রোরেল লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়া হয়। মেট্রোরেলের ভেতরে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ঢিল ছোড়ার সময় ও অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে। ফুটেজ দেখে চারটি বাণিজ্যিক ভবন সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়। পরে ওইসময় কারা ভবনে ওঠা-নামা করেছেন, সেই তালিকাও করে পুলিশ। এ ঘটনায় ভবনের নিরাপত্তারক্ষীদের জেরা করা হয়েছে। আলামতও সংগ্রহ করেছেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, মেট্রোরেলে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় ‘মেট্রোরেল আইন ২০১৫’-এর ৩৫ ও ৪৩ ধারাসহ দণ্ডবিধির ৪২৭ ধারায় কাফরুল থানায় মামলা করে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। মামলায় একাধিক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়, ঢিল ছোড়ায় মেট্রোরেলের প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

মেট্রোরেলে ডিল ছোড়ার ঘটনায় অপরাধ প্রমাণ হলে মেট্রোরেল আইন অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা। সর্বনিম্ন শাস্তি দুই বছরের কারাদণ্ড।

Please Share This Post in Your Social Media

চার ভবনে নজরদারি

মেট্রোরেলে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় ২০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ

Update Time : ০৬:১৯:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মে ২০২৩

মেট্রোরেলে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে চারটি বাণিজ্যিক ভবন নজরদারিতে রেখেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

বুধবার (১০ মে) বিকালে কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মেট্রোরেলে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারটি ভবন সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। ওই চার ভবনের অন্তত ২০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের মধ্যেই কোনো একজন মেট্রোরেলে ঢিল ছুড়েছেন। তাদের গতিবিধি নজরদারিতে রাখা হয়েছে। শিগগির এ ঘটনায় জড়িতকে শনাক্ত করা হবে।

গত ৩০ এপ্রিল বেলা ১১টা ৫ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে শেওড়াপাড়া এলাকায় মেট্রোরেল লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়া হয়। মেট্রোরেলের ভেতরে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ঢিল ছোড়ার সময় ও অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে। ফুটেজ দেখে চারটি বাণিজ্যিক ভবন সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়। পরে ওইসময় কারা ভবনে ওঠা-নামা করেছেন, সেই তালিকাও করে পুলিশ। এ ঘটনায় ভবনের নিরাপত্তারক্ষীদের জেরা করা হয়েছে। আলামতও সংগ্রহ করেছেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, মেট্রোরেলে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় ‘মেট্রোরেল আইন ২০১৫’-এর ৩৫ ও ৪৩ ধারাসহ দণ্ডবিধির ৪২৭ ধারায় কাফরুল থানায় মামলা করে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। মামলায় একাধিক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়, ঢিল ছোড়ায় মেট্রোরেলের প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

মেট্রোরেলে ডিল ছোড়ার ঘটনায় অপরাধ প্রমাণ হলে মেট্রোরেল আইন অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা। সর্বনিম্ন শাস্তি দুই বছরের কারাদণ্ড।