ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভুয়া মামলায় নওরোজ সম্পাদককে কারাগারে পাঠানোয় ডিজেএডির উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ০৫:২৩:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২১৮ Time View

আদালতে দৈনিক নওরোজ সম্পাদক শামসুল হক দুররানী

ভুয়া চাঁদাবাজির মামলায় দৈনিক নওরোজ সম্পাদক শামসুল হক দুররানীকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে দিনাজপুর সাংবাদিক সমিতি ঢাকা (ডিজেএডি)।

সংগঠনের সভাপতি মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন চিশতি সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে মিথ্যা মামলায় সিনিয়র এ সাংবাদিককে কারাগারে পাঠানোর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

তারা বলেন, যে মামলায় সম্পাদক শামসুল হক দুররানীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে সেটি একটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা। এ মামলার কোনো ভিত্তি নাই। মামলাটি অসৎ উদ্দেশে দায়ের করা হয়েছে। মামলায় বাদীর যে নাম-ঠিকানা উল্লেখ করেছে সেটিও ভুয়া। এমনকি শুনানির সময় বাদীর কোনো আইনজীবীও আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
মূলত দুর্নীতির নিউজ প্রকাশের কারণে সরকারের একজন ঊর্ধ্বতন মহলের চাপে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।

তারা বলেন, সম্পূর্ণ গায়েবি একটি মামলায় স্বনামধন্য একজন সিনিয়র সাংবাদিক ও সম্পাদককে কারাগারে পাঠানো গণমাধ্যমের জন্য উদ্বেগজনক একটি বিষয়। আমরা অবিলম্বে শামসুল হক দুররানীর মুক্তি দাবি জানাচ্ছি। একইসঙ্গে এ মিথ্যা মামলার সঙ্গে যুক্তদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, গত ১২ নভেম্বর রাজিবুল ইসলাম নামে এক ঠিকাদার শামসুল হক দুররানীকে আসামি করে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। গত রোববার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তাঁর জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে পাঠানোর আদেশের পর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নওরোজ সম্পাদক সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, সরকারের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা জজ হিসেবে থাকার সময় ১০ কেজি হেরোইন মামলায়, সাড়ে তিন কেজি হেরোইনের মামলায়, এমনকি বিস্ফোরকদ্রব্য উদ্ধারের মামলায় আসামিদের জামিন দেন। আমি তার বিরুদ্ধে নিউজ করি। নিউজ করার কারণে তাকে সঙ্গে সঙ্গে বদলি করা হয়। এ কারণে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বিচারকরা অন্যায় করলে কি নিউজ করা যাবে না, কিছু লেখা যাবে না।’

ওই উর্ধ্বতন কর্মকর্তা মামলা করিয়েছেন কীভাবে বুঝলেন প্রশ্নের জবাবে এ সম্পাদক বলেন, ‘এটা পুলিশ আমাকে বলেছে, তার নাম আমি বলবো না।’

Please Share This Post in Your Social Media

ভুয়া মামলায় নওরোজ সম্পাদককে কারাগারে পাঠানোয় ডিজেএডির উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
Update Time : ০৫:২৩:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

ভুয়া চাঁদাবাজির মামলায় দৈনিক নওরোজ সম্পাদক শামসুল হক দুররানীকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে দিনাজপুর সাংবাদিক সমিতি ঢাকা (ডিজেএডি)।

সংগঠনের সভাপতি মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন চিশতি সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে মিথ্যা মামলায় সিনিয়র এ সাংবাদিককে কারাগারে পাঠানোর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

তারা বলেন, যে মামলায় সম্পাদক শামসুল হক দুররানীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে সেটি একটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা। এ মামলার কোনো ভিত্তি নাই। মামলাটি অসৎ উদ্দেশে দায়ের করা হয়েছে। মামলায় বাদীর যে নাম-ঠিকানা উল্লেখ করেছে সেটিও ভুয়া। এমনকি শুনানির সময় বাদীর কোনো আইনজীবীও আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
মূলত দুর্নীতির নিউজ প্রকাশের কারণে সরকারের একজন ঊর্ধ্বতন মহলের চাপে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।

তারা বলেন, সম্পূর্ণ গায়েবি একটি মামলায় স্বনামধন্য একজন সিনিয়র সাংবাদিক ও সম্পাদককে কারাগারে পাঠানো গণমাধ্যমের জন্য উদ্বেগজনক একটি বিষয়। আমরা অবিলম্বে শামসুল হক দুররানীর মুক্তি দাবি জানাচ্ছি। একইসঙ্গে এ মিথ্যা মামলার সঙ্গে যুক্তদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, গত ১২ নভেম্বর রাজিবুল ইসলাম নামে এক ঠিকাদার শামসুল হক দুররানীকে আসামি করে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। গত রোববার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তাঁর জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে পাঠানোর আদেশের পর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নওরোজ সম্পাদক সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, সরকারের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা জজ হিসেবে থাকার সময় ১০ কেজি হেরোইন মামলায়, সাড়ে তিন কেজি হেরোইনের মামলায়, এমনকি বিস্ফোরকদ্রব্য উদ্ধারের মামলায় আসামিদের জামিন দেন। আমি তার বিরুদ্ধে নিউজ করি। নিউজ করার কারণে তাকে সঙ্গে সঙ্গে বদলি করা হয়। এ কারণে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বিচারকরা অন্যায় করলে কি নিউজ করা যাবে না, কিছু লেখা যাবে না।’

ওই উর্ধ্বতন কর্মকর্তা মামলা করিয়েছেন কীভাবে বুঝলেন প্রশ্নের জবাবে এ সম্পাদক বলেন, ‘এটা পুলিশ আমাকে বলেছে, তার নাম আমি বলবো না।’