ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বৈদেশিক রিজার্ভ বেড়ে ৩০ বিলিয়ন

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জুন ২০২৩
  • / ৯৫ Time View

সংগৃহীত

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

বুধবার (২১ জুন) রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ০২ বিলিয়ন।  মঙ্গলবারে যা ছিলো (২০ জুন) ছিল ২৯ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রেমিট্যান্স বৃদ্ধির কারণে রিজার্ভ বেড়েছে এবং অনেক ব্যাংকের কাছে এখন এলসি (লেটার অফ ক্রেডিট) পরিশোধ করার জন্য পর্যাপ্ত ডলার আছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১ থেকে ২০ জুনের মধ্যে রেমিট্যান্স হিসেবে দেশে ১ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার।

২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ১৩ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে। এ বিক্রয় সাধারণত সরকারি এলসি’র অর্থপ্রদান এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়।

সরকার মার্চ ও এপ্রিলের জন্য এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন বা এসিইউ’কে ১ দশমিক ১ বিলিয়ন আমদানি বিল পরিশোধ করার পরে ৮ মে রিজার্ভ ২৯ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।

১০ মে এটি আবার বেড়ে ৩০ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে, যা এর মাত্র একদিন আগে ২৯ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার ছিল।

২৫ মে থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, রিজার্ভ ফের ২৯ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। সেটি বুধবার আবার ৩০ বিলিয়ন ছাড়াল।

Please Share This Post in Your Social Media

বৈদেশিক রিজার্ভ বেড়ে ৩০ বিলিয়ন

Update Time : ০৯:০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জুন ২০২৩

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

বুধবার (২১ জুন) রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ০২ বিলিয়ন।  মঙ্গলবারে যা ছিলো (২০ জুন) ছিল ২৯ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রেমিট্যান্স বৃদ্ধির কারণে রিজার্ভ বেড়েছে এবং অনেক ব্যাংকের কাছে এখন এলসি (লেটার অফ ক্রেডিট) পরিশোধ করার জন্য পর্যাপ্ত ডলার আছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১ থেকে ২০ জুনের মধ্যে রেমিট্যান্স হিসেবে দেশে ১ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার।

২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ১৩ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে। এ বিক্রয় সাধারণত সরকারি এলসি’র অর্থপ্রদান এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়।

সরকার মার্চ ও এপ্রিলের জন্য এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন বা এসিইউ’কে ১ দশমিক ১ বিলিয়ন আমদানি বিল পরিশোধ করার পরে ৮ মে রিজার্ভ ২৯ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।

১০ মে এটি আবার বেড়ে ৩০ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে, যা এর মাত্র একদিন আগে ২৯ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার ছিল।

২৫ মে থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, রিজার্ভ ফের ২৯ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। সেটি বুধবার আবার ৩০ বিলিয়ন ছাড়াল।