ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নিলাম

বিপিএলে কোটি ছাড়ালেন নাঈম, হৃদয় ৯২ লিটনের দাম ৭০ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ০৬:৩১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৬৭ Time View

বিপিএলে সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হওয়া তিন ক্রিকেটার নাঈম শেখ, তাওহিদ হৃদয় ও লিটন দাস

বিপিএল নিলামে কাড়াকাড়ি পড়ে গেল মোহাম্মদ নাঈম শেখকে নিয়ে। প্রথম ডাকেই উত্তেজনার পারদ একেবারে চূড়ায় ওঠে। ভিত্তিমূল্য থেকে ১৩ ধাপ পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত থামে সেই লড়াই। ততক্ষণে তার পারিশ্রমিক হয়ে গেছে দ্বিগুণের বেশি! নাঈমের জন্য নিলামে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সিলেট, রংপুর ও নোয়াখালী। তিন দলের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয়টা হয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালসের। তিন দলের লড়াইয়ে জিতেছে তারা। ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় তাঁরা দলে নিয়েছে ওপেনার মোহাম্মদ নাঈমকে। গত আসরের প্রায় ১৪৪ স্ট্রাইক রেটে ৫১১ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন তিনি।

তবে অতটা লড়াই হলো না বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন কুমার দাসকে নিয়ে। ‘এ’ ক্যাটাগরিতে নাঈমের ভিত্তিমূল্য ছিল ৫০ লাখ টাকা। তাকে ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় দলে পায় নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি চট্টগ্রাম রয়্যালস। নিশ্চিতভাবেই নিলামের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার হতে যাচ্ছেন তিনি। একই ক্যাটাগরি ও সমান ভিত্তিমূল্যের লিটনকে ৭০ লাখ টাকায় পেয়ে যায় রংপুর রাইডার্স। জাতীয় দলের টি–টোয়েন্টি অধিনায়ক গত আসরে ছিলেন ঢাকা ক্যাপিটালসে।

লিটনের চেয়ে বেশি লড়াই জমে ওঠে তাওহিদ হৃদয়কে নিয়ে। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৩৫ লাখ ভিত্তিমূল্যের এই ব্যাটসম্যানকে ৯২ লাখ টাকায় দলে নেয় রংপুর রাইডার্স। আগ্রাসী ব্যাটসম্যান শামীম হোসেনকে ৫৬ লাখ টাকায় নিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস।

মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে আগ্রহ দেখায়নি কেউ
তাঁদের দুজনের নিলামের পর ‘বি’ ক্যাটাগরিতে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তোলা হয়েছিল মাহমুদউল্লাহর নাম। কিন্তু তাঁকে কিনতে আগ্রহ দেখায়নি ৬ ফ্র্যাঞ্চাইজির কেউ। অবিক্রিত থেকেছেন আরেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমও। দুজনের ভিত্তিমূল্যই ছিল ৩৫ লাখ টাকা। তবে অবিক্রিত ক্রিকেটারদের পরে আবার নিলামে তোলা হবে। তবে তখন তাঁদের তোলা হবে ‘সি’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটার হিসেবে।

নিলামের আগেই সরাসরি চুক্তির পর ‘এ’ ক্যাটাগরিতে বাকি ছিলেন কেবল নাঈম আর লিটন। লটারিতে আগে ওঠে নাঈমের নাম। তাকে প্রথম ডাকে সিলেট টাইটান্স। এরপর প্রতি ডাকে বাড়তে থাকে ৫ লাখ টাকা করে। সিলেটের সঙ্গে প্রথমে লড়াইয়ে আসে রংপুর। পরে যোগ দেয় নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। তখনও পর্যন্ত দৃশ্যপটে নেই চট্টগ্রাম।

৮০ লাখ টাকা থেকে লড়াইয়ে যোগ দেয় চট্টগ্রাম। সিলেটের সঙ্গে তুমুল লড়াইয়ের পর শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ১০ লাখে বাঁহাতি এই ওপেনারকে পেয়ে যায় চট্টগ্রাম। বিপিএলের গত আসরে খুলনা টাইগার্সের হয়ে ৪২.৫৮ গড় ও প্রায় ১৯৪ স্ট্রাইক রেটে ৫১১ রান করেছিলেন তিনি। এরপর আসে লিটনের পালা। তাকে নিয়ে সিলেটের সঙ্গে কিছুটা লড়াই করে ৭০ লাখে পেয়ে যায় রংপুর।

নাঈমের মতো কাড়াকাড়ি পড়ে যায় হৃদয়কে দলে পেতে। ভিত্তিমূল্যের দ্বিগুনের বেশি দামে তাকে নেয় রংপুর। গত বিপিএলে চিটাগং কিংসের হয় দুর্দান্ত পারফর্ম করা পেসার সৈয়দ খালেদ আহমেদকে ৪৭ লাখ টাকায় দলে নেয় সিলেট টাইটান্স।

৫২ লাখে ঢাকায় মিঠুন
নিলামের মাঝমাঝি পর্যন্ত সবচেয়ে বড় চমক বলা যায় অবশ্য মোহাম্মদ মিঠুন। গত তিন বিপিএলে ভালো পারফর্ম না করলেও তাকে নিয়ে লড়াই জমে যায় ঢাকা ক্যাপিটালস ও নোয়াখালী এক্সপ্রেসের। ২২ লাখ টাকা ভিত্তিমূল্যের ব্যাটসম্যান শেষ পর্যন্ত ৫২ লাখ টাকায় ঠাঁই পান ঢাকায়।

৫৬ লাখে ঢাকা ক্যাপিটালসে শামীম হোসেন
ক্যাটাগরি ‘বি’ তে আছেন জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ কয়েকজন ক্রিকেটার। তাঁদের সবার ভিত্তিমূল্য ছিল ৩৫ লাখ। তাওহিদ হৃদয়কে ৯২ লাখে দলে নিয়েছে রংপুর রাইডার্স, শামীম হোসেনকে ৫৬ লাখে নিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস। ৩৫ লাখে ওপেনার পারভেজ হোসেন গিয়েছেন সিলেট টাইটানসে। সাইফউদ্দিনকে ৬৮ লাখে নিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস।

নোয়াখালীতে জাকের ও মাহিদুল
বি ক্যাটাগরি থেকে কোনো ক্রিকেটারকে নিলামের শুরুতে দলে নিতে পারেনি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। তবে নিয়ম অনুযায়ী সবগুলো দলই ‘এ’ এবং ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে বাধ্যতামূলক দুজন ক্রিকেটারকে নিতে হবে। নিলামে উঠা শেষ দুই ক্রিকেটার জাকের আলী ও মাহিদুল ইসলামকে ভিত্তিমূল্য ৩৫ লাখ টাকাতে দলে নিতে বাধ্য হয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে বেশ কাড়াকাড়ি হয়েছে। সিলেট, নোয়াখালী ও ঢাকার কাড়াকাড়িতে তাঁর দাম উঠেছে ৫২ লাখ টাকা। শেষ পর্যন্ত মিঠুনের ঠিকানা হয়েছে ঢাকা।এদিকে অবিক্রিত থেকে গেছেন ‘সি’ ক্যাটাগরিতে থাকা জাতীয় দলের পেসার ইবাদত হোসেন।
নাহিদ রানা ৫৬ লাখে রংপুরে
আরেক পেসার নাহিদ রানা ৫৬ লাখ টাকায় গেছেন রংপুর রাইডার্সে। গত আসরেও একই ফ্র্যাঞ্চাইজের হয়ে খেলেছেন তিনি।

সরাসরি চুক্তিবদ্ধ হওয়া খেলোয়াড়দের তালিকা

ঢাকা ক্যাপিটালস
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: তাসকিন আহমেদ, সাইফ হাসান
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: অ্যালেক্স হেলস (ইংল্যান্ড), উসমান খান (পাকিস্তান)

রংপুর রাইডার্স
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: মোস্তাফিজুর রহমান, নুরুল হাসান সোহান
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: খাওয়াজা নাফে (পাকিস্তান), সুফিয়ান মুকিম (পাকিস্তান)

চট্টগ্রাম রয়্যালস
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: শেখ মেহেদী হাসান, তানভীর ইসলাম
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: আবরার আহমেদ (পাকিস্তান)

নোয়াখালী এক্সপ্রেস
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: সৌম্য সরকার, হাসান মাহমুদ
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: কুসল মেন্ডিস (শ্রীলঙ্কা), জনসন চার্লস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

সিলেট টাইটান্স
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: মোহাম্মদ আমির (পাকিস্তান), সাইম আইয়ুব (পাকিস্তান)

রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: মোহাম্মদ নওয়াজ (পাকিস্তান), সাহিবজাদা ফারহান (পাকিস্তান)।

নিলামের আগে সরাসরি চুক্তিতে ২৩ ক্রিকেটার
শনিবার প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায়, অংশগ্রহণকারী ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি মোট ২৩ ক্রিকেটারকে সরাসরি চুক্তিতে দলে নিয়েছে। তাদের মধ্যে স্থানীয় ১২ জন, বিদেশি ১১ জন। শুধু চট্টগ্রাম রয়্যালস বাদে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দুজন করে স্থানীয় ও বিদেশি খেলোয়াড়কে চুক্তিবদ্ধ করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

নিলাম

বিপিএলে কোটি ছাড়ালেন নাঈম, হৃদয় ৯২ লিটনের দাম ৭০ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক
Update Time : ০৬:৩১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

বিপিএল নিলামে কাড়াকাড়ি পড়ে গেল মোহাম্মদ নাঈম শেখকে নিয়ে। প্রথম ডাকেই উত্তেজনার পারদ একেবারে চূড়ায় ওঠে। ভিত্তিমূল্য থেকে ১৩ ধাপ পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত থামে সেই লড়াই। ততক্ষণে তার পারিশ্রমিক হয়ে গেছে দ্বিগুণের বেশি! নাঈমের জন্য নিলামে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সিলেট, রংপুর ও নোয়াখালী। তিন দলের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয়টা হয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালসের। তিন দলের লড়াইয়ে জিতেছে তারা। ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় তাঁরা দলে নিয়েছে ওপেনার মোহাম্মদ নাঈমকে। গত আসরের প্রায় ১৪৪ স্ট্রাইক রেটে ৫১১ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন তিনি।

তবে অতটা লড়াই হলো না বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন কুমার দাসকে নিয়ে। ‘এ’ ক্যাটাগরিতে নাঈমের ভিত্তিমূল্য ছিল ৫০ লাখ টাকা। তাকে ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় দলে পায় নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি চট্টগ্রাম রয়্যালস। নিশ্চিতভাবেই নিলামের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার হতে যাচ্ছেন তিনি। একই ক্যাটাগরি ও সমান ভিত্তিমূল্যের লিটনকে ৭০ লাখ টাকায় পেয়ে যায় রংপুর রাইডার্স। জাতীয় দলের টি–টোয়েন্টি অধিনায়ক গত আসরে ছিলেন ঢাকা ক্যাপিটালসে।

লিটনের চেয়ে বেশি লড়াই জমে ওঠে তাওহিদ হৃদয়কে নিয়ে। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৩৫ লাখ ভিত্তিমূল্যের এই ব্যাটসম্যানকে ৯২ লাখ টাকায় দলে নেয় রংপুর রাইডার্স। আগ্রাসী ব্যাটসম্যান শামীম হোসেনকে ৫৬ লাখ টাকায় নিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস।

মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে আগ্রহ দেখায়নি কেউ
তাঁদের দুজনের নিলামের পর ‘বি’ ক্যাটাগরিতে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তোলা হয়েছিল মাহমুদউল্লাহর নাম। কিন্তু তাঁকে কিনতে আগ্রহ দেখায়নি ৬ ফ্র্যাঞ্চাইজির কেউ। অবিক্রিত থেকেছেন আরেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমও। দুজনের ভিত্তিমূল্যই ছিল ৩৫ লাখ টাকা। তবে অবিক্রিত ক্রিকেটারদের পরে আবার নিলামে তোলা হবে। তবে তখন তাঁদের তোলা হবে ‘সি’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটার হিসেবে।

নিলামের আগেই সরাসরি চুক্তির পর ‘এ’ ক্যাটাগরিতে বাকি ছিলেন কেবল নাঈম আর লিটন। লটারিতে আগে ওঠে নাঈমের নাম। তাকে প্রথম ডাকে সিলেট টাইটান্স। এরপর প্রতি ডাকে বাড়তে থাকে ৫ লাখ টাকা করে। সিলেটের সঙ্গে প্রথমে লড়াইয়ে আসে রংপুর। পরে যোগ দেয় নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। তখনও পর্যন্ত দৃশ্যপটে নেই চট্টগ্রাম।

৮০ লাখ টাকা থেকে লড়াইয়ে যোগ দেয় চট্টগ্রাম। সিলেটের সঙ্গে তুমুল লড়াইয়ের পর শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ১০ লাখে বাঁহাতি এই ওপেনারকে পেয়ে যায় চট্টগ্রাম। বিপিএলের গত আসরে খুলনা টাইগার্সের হয়ে ৪২.৫৮ গড় ও প্রায় ১৯৪ স্ট্রাইক রেটে ৫১১ রান করেছিলেন তিনি। এরপর আসে লিটনের পালা। তাকে নিয়ে সিলেটের সঙ্গে কিছুটা লড়াই করে ৭০ লাখে পেয়ে যায় রংপুর।

নাঈমের মতো কাড়াকাড়ি পড়ে যায় হৃদয়কে দলে পেতে। ভিত্তিমূল্যের দ্বিগুনের বেশি দামে তাকে নেয় রংপুর। গত বিপিএলে চিটাগং কিংসের হয় দুর্দান্ত পারফর্ম করা পেসার সৈয়দ খালেদ আহমেদকে ৪৭ লাখ টাকায় দলে নেয় সিলেট টাইটান্স।

৫২ লাখে ঢাকায় মিঠুন
নিলামের মাঝমাঝি পর্যন্ত সবচেয়ে বড় চমক বলা যায় অবশ্য মোহাম্মদ মিঠুন। গত তিন বিপিএলে ভালো পারফর্ম না করলেও তাকে নিয়ে লড়াই জমে যায় ঢাকা ক্যাপিটালস ও নোয়াখালী এক্সপ্রেসের। ২২ লাখ টাকা ভিত্তিমূল্যের ব্যাটসম্যান শেষ পর্যন্ত ৫২ লাখ টাকায় ঠাঁই পান ঢাকায়।

৫৬ লাখে ঢাকা ক্যাপিটালসে শামীম হোসেন
ক্যাটাগরি ‘বি’ তে আছেন জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ কয়েকজন ক্রিকেটার। তাঁদের সবার ভিত্তিমূল্য ছিল ৩৫ লাখ। তাওহিদ হৃদয়কে ৯২ লাখে দলে নিয়েছে রংপুর রাইডার্স, শামীম হোসেনকে ৫৬ লাখে নিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস। ৩৫ লাখে ওপেনার পারভেজ হোসেন গিয়েছেন সিলেট টাইটানসে। সাইফউদ্দিনকে ৬৮ লাখে নিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস।

নোয়াখালীতে জাকের ও মাহিদুল
বি ক্যাটাগরি থেকে কোনো ক্রিকেটারকে নিলামের শুরুতে দলে নিতে পারেনি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। তবে নিয়ম অনুযায়ী সবগুলো দলই ‘এ’ এবং ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে বাধ্যতামূলক দুজন ক্রিকেটারকে নিতে হবে। নিলামে উঠা শেষ দুই ক্রিকেটার জাকের আলী ও মাহিদুল ইসলামকে ভিত্তিমূল্য ৩৫ লাখ টাকাতে দলে নিতে বাধ্য হয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে বেশ কাড়াকাড়ি হয়েছে। সিলেট, নোয়াখালী ও ঢাকার কাড়াকাড়িতে তাঁর দাম উঠেছে ৫২ লাখ টাকা। শেষ পর্যন্ত মিঠুনের ঠিকানা হয়েছে ঢাকা।এদিকে অবিক্রিত থেকে গেছেন ‘সি’ ক্যাটাগরিতে থাকা জাতীয় দলের পেসার ইবাদত হোসেন।
নাহিদ রানা ৫৬ লাখে রংপুরে
আরেক পেসার নাহিদ রানা ৫৬ লাখ টাকায় গেছেন রংপুর রাইডার্সে। গত আসরেও একই ফ্র্যাঞ্চাইজের হয়ে খেলেছেন তিনি।

সরাসরি চুক্তিবদ্ধ হওয়া খেলোয়াড়দের তালিকা

ঢাকা ক্যাপিটালস
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: তাসকিন আহমেদ, সাইফ হাসান
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: অ্যালেক্স হেলস (ইংল্যান্ড), উসমান খান (পাকিস্তান)

রংপুর রাইডার্স
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: মোস্তাফিজুর রহমান, নুরুল হাসান সোহান
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: খাওয়াজা নাফে (পাকিস্তান), সুফিয়ান মুকিম (পাকিস্তান)

চট্টগ্রাম রয়্যালস
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: শেখ মেহেদী হাসান, তানভীর ইসলাম
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: আবরার আহমেদ (পাকিস্তান)

নোয়াখালী এক্সপ্রেস
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: সৌম্য সরকার, হাসান মাহমুদ
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: কুসল মেন্ডিস (শ্রীলঙ্কা), জনসন চার্লস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

সিলেট টাইটান্স
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: মোহাম্মদ আমির (পাকিস্তান), সাইম আইয়ুব (পাকিস্তান)

রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত
সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: মোহাম্মদ নওয়াজ (পাকিস্তান), সাহিবজাদা ফারহান (পাকিস্তান)।

নিলামের আগে সরাসরি চুক্তিতে ২৩ ক্রিকেটার
শনিবার প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায়, অংশগ্রহণকারী ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি মোট ২৩ ক্রিকেটারকে সরাসরি চুক্তিতে দলে নিয়েছে। তাদের মধ্যে স্থানীয় ১২ জন, বিদেশি ১১ জন। শুধু চট্টগ্রাম রয়্যালস বাদে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দুজন করে স্থানীয় ও বিদেশি খেলোয়াড়কে চুক্তিবদ্ধ করেছে।