বিটিআরসি ভবনে হামলা-ভাঙচুর, আটক ২৪
- Update Time : ১১:৩৩:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৮২ Time View
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাতিলের দাবিতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে ভাঙচুর চালিয়েছেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা।
এ ঘটনায় ২৪ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান জানান, বিক্ষোভকারীরা হঠাৎ হামলা চালায়। ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে।
তিনি বলেন, এরপর পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে এখন পর্যন্ত ২৪ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। একইসঙ্গে বিটিআরসি ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আরও যারা জড়িত তাদের আটকের চেষ্টা চলমান রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে দেখা যায়, বিটিআরসি ভবনের করিডোরের গ্লাস ভাঙা। ব্যাপক ইটপাটকেল নিক্ষেপ করার ফলে মূল ভবনের গ্লাসও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঘটনার পর বিটিআরসি ভবনের সামনে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
জানা গেছে, পূর্বঘোষিত এনইআইআর বাস্তবায়ন হওয়ায় মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা এই হামলা চালান। বিটিআরসি ভবনের বাইরে দুই রাস্তার দিক থেকে ঢিল মেরে এই ভাঙচুর চালানো হয়। তবে এ হামলায় বিটিআরসির কারও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে, অবৈধ মোবাইলফোন বন্ধে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার এনইআইআর কার্যক্রম চালু করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এনইআইআর চালুর প্রতিবাদে দুপুরের পর থেকে বিটিআরসি ভবনের সামনে অবস্থান নেয় বিক্ষুব্ধ মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। এ সময় বিটিআরসি ভবনে ইটপাটকেল ছুড়ে ভাঙচুর করা হয়। বিকেল ৪টার দিকে এই ভাঙচুর শুরু হয়। বিটিআরসি ভবনের বাইরে দুই রাস্তার দিক থেকে ঢিল মেরে ভাঙচুর চালানো হয়।
হামলায় বিটিআরসির মসজিদের গ্লাস ভেঙে যায়। এ সময় সেখানে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নামাজ পড়ছিলেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কেউ আহত হয়েছেন বলে জানা যায়নি।
ব্যাপক ইটপাটকেল নিক্ষেপ করার ফলে বিটিআরসি ভবনের করিডোর ও মূল ভবনের গ্লাসও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হঠাৎ এমন হামলায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বিটিআরসির কর্মকর্তারা। এছাড়া বিটিআরসি ভবনের পাশের গলিতে রাখা বিআরটিসির একটি বাসও ভাঙচুর করা হয়।
পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিটিআরসি ভবনে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।
মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে অবিক্রীত বা স্টকে থাকা মুঠোফোনের তথ্য জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। গতকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সেই সময়সীমা শেষ হয়েছে।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
জনপ্রিয়






















































































































































