ঢাকা ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
হুমকির মুখে স্কুল-ব্রিজ, ফসলি-জমি,বসত-ভিটা

বদরগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

কামরুল হাসান টিটু,রংপুর ব্যুরো
  • Update Time : ০৭:৩৯:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুন ২০২৩
  • / ১৬৮ Time View

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের শিমুলতলী প্রামানিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে ট্রাক্টর গাড়িতে করে অবাধে অবৈধ বালু উত্তোলন করছে একটি প্রভাবশালী মহল। ফলে এলাকার আবাদি জমি বসতবাড়ি প্রাইমারি স্কুল, ঈদগা মাঠ হুমকির মুখে পড়েছে। অবিলম্বে এই মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রশাসন মাঝে মধ্যে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়ে চলে যায়। যাওয়ার পর আবার বালু উত্তোলন করা শুরু করে। পুলিশ এসে নিষেধ করেও থামানো যাচ্ছে না শিমুলতলী এলাকায় বালু উত্তোলন । এ যেন এক বালু উত্তোলনের মহোৎসব।

জানা যায়, বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ও দামোদরপুর ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া যমুনেশ্বরী নদী। নদীর থেকে প্রতিদিন বালু মহলের কিছু চক্র শত শত গাড়ি লাগিয়ে মাটি ও বালু উত্তোলন করে দুই ইউনিয়নের প্রভাবশালীরা। পুলিশ গিয়ে বাধা দিলেও মানছেনা তারা।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,দামোদরপুর ইউনিয়নের শিমুলতলী প্রমাণিক পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে আবাদি জমি থেকে প্রায় দশ ফুট গর্ত করে বালু উত্তোলন করা হয়েছে। হুমকির মুখে রয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় আবাদি জমি ও বসত-বাড়ি।

শিমুলতলী প্রামানিক পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, বিদ্যালয়ের পাশে যেভাবে গর্ত করে মাটি ও বালু উত্তোলন করছে তাতে এবারে বন্যা হলে স্কুলটি হুমকির মুখে পড়বে। তাছাড়াও কিছু আবাদি-জমি বসতবাড়ি ভেঙ্গে যেতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আজিজ বলেন, আমার দশ কাটা জমির পাশে প্রায় ১০ ফুট গর্ত করে মাটি ও বালু উত্তোলন করেছে মইনুল নামের এক বালু ব্যবসায়ী। অনেক বাধা দিয়েও কাজ হয়নি। এবারে বন্যা হলে আমার আবাদি জমি ভেঙ্গে গর্তের মধ্যে পড়বে। আমার জমির পরেই প্রাইমারি স্কুল ও বসতবাড়ি রয়েছে। সবচেয়ে বেশি হুমকির মুখে রয়েছে প্রাইমারি স্কুলটি।

ওই এলাকার জাহানারা বেগম বলেন, যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলছেন জমি ফাঁকা রাখা যাবে না। জমিতে ফসল ফালান। সেখানে তারা আবাদি জমি থেকে বালু ও মাটি উত্তোলন করছে।আমার গাছের বাগানের পাশেই অনেক বড় গর্ত করে বালু ও মাটি নিয়ে যাচ্ছে শেখের হাটের মইনুল নামের এক বালু ব্যবসায়ী। তাকে অনেক বাঁধা করার পরেও সে জোরপূর্বক বালু ও মাটি উত্তোলন করে। বিষয়টি প্রশাসনের কাছে জানালেও কোন পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। তাছাড়াও পাশেই রয়েছে আব্দুল বারেকের ২৫ কাটা আবাদি জমি, আব্দুর রাজ্জাকের ৫ কাটা গাছের বাগান ও ১৫ কাটা আবাদি জমি। এদিকে হুমকির মুখে রয়েছে শরিফুল ইসলামের বসতভিটা, বাবলু শেখের বসতভিটা, আব্দুর রাজ্জাকের বসতভিটা, জাহাঙ্গীরের বসতভিটা আরো রয়েছে একটি ঈদগা মাঠ।

তবে এ বিষয়ে জমির মালিকরা বলেন, আমাদের ওই জমিটা নদীর ধারে হওয়ায় চাষ বাদ করতে পারি না। জমিটিতে অনেক বালু কোন ফসল ভালো হয় না। দীর্ঘদিন পরে থাকার পর আমরা ওই জমিটির বালু ও মাটি তিন লাখ টাক বিক্রি করে দেই বালু ব্যবসায়ী মইনুল এর কাছে।

এ বিষয়ে বালু ব্যবসায়ী মইনুল ইসলামের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, আমি মালিকানা জমির মাটি ও বালু উত্তোলন করিছি। ওই এলাকার মোঃ এস্কান্দার আলি, মোঃ আনোয়ার হোসেন সহ চার ভাইয়ের জমি থেকে বালু উত্তোলন করে আসছি। আমি ওই মাটি ও বালুর দাম দিয়েছি তিন লাখ টাকা। আমি মাটি ও বালু তোলার সময় কেউ বাধা দেয়নি। স্থানীয়রা নিষেধ করলে আমি মাটি ও বালু তুলতামনা বলে জানিয়েছেন।

অপরদিকে দামোদরপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের জলুবর দিঘীরপাড় ঘাট এলাকার মোঃ হেলাল শেখ অভিযোগ করে বলেন, গত বন্যার সময় আমাদের ৫০ শতক জমি ভেঙ্গে নদীতে চলে যায়। বর্তমান নদীটির পানি আমাদের জমির উপর যাচ্ছে। অপরদিকে মধুপুর ইউনিয়নের নাওপাড়া এলাকায় চড় হলে সেখানকার কিছু প্রভাবশালীরা প্রতিদিন শত শত গাড়ি লাগিয়ে বালু উত্তোলন করছে। কিছুদিন আগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে শ্যালো-মেশিন, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম জব্দ করেন। কিছুদিন বালু উত্তোলন বন্ধ থাকলেও পরবর্তীতে আবারও বালু উত্তোলন শুরু করে এই কারবার।

গত (২৭শে মে) শনিবার দুপুরে দামোদরপুর ইউনিয়নের চিলাপাকে যমুনেশ্বরী নদীর কালারঘাটে শ্যালো-মেশিন লাগিয়ে বালু উত্তোলন করছে ওই এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। বালু উত্তোলন করার সময় লেবার তারিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এই বালু উত্তোলন করা হচ্ছে মসজিদের জন্য। জানতে চাইলে কারা এই বালু উঠাচ্ছে তিনি বলেন, মৃত মসজিদ মেম্বারের ছেলে লেবু মিয়া, ডালিম মিয়া, মৃত সাফায়েত হোসেনের ছেলে আবুল কালাম এই বালু উত্তোলন করছে।

কালারঘাটের খেয়াঘাটের মাঝি আব্দুল মান্নান বলেন, কিছুদিন আগেই এখান থেকে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করা হয়েছিল আবারো মেশিন লাগিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

এদিকে নাগের হাট এলাকার এক হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, নাগের হাঠ ব্রিজের পাশেই নদী থেকে প্রতিদিন শত শত গাড়ি লাগিয়ে বালু উঠাচ্ছে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীরা। এর আগেই ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকটি ট্রাক্টর গাড়ি ও ড্রেজার মেশিন জব্দ করে নিয়ে যায়। কিছু দিন বালু উত্তোলন বন্ধ করা থাকলেও পরবর্তীতে আবারও বালু উত্তোলন শুরু হয়ে যায়। এই বালু উত্তোলন বন্ধ করার কেউ নেই।

সরজমিনে দেখা যায় গত (২৪ মে) বুধবার নাগেরহাট ব্রিজের পাশে বদরগঞ্জ থানার এ এস আই বিদ্যুৎ বালু উত্তোলন করা রাস্তাটি নিজ হাতে কোদাল দিয়ে কেটে দিয়ে চলে যান। পরবর্তীতে বিকেলে আবারও সেই রাস্তাটির গত পূরণ করে বালু উত্তোলন করা শুরু করেন ওই এলাকার বালু ব্যবসায়ীরা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) আবু সাঈদ জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কারাদণ্ড ও জরিমানাদণ্ড প্রদান ছাড়াও নিয়মিত মামলা দায়ের করা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

হুমকির মুখে স্কুল-ব্রিজ, ফসলি-জমি,বসত-ভিটা

বদরগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

Update Time : ০৭:৩৯:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুন ২০২৩

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের শিমুলতলী প্রামানিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে ট্রাক্টর গাড়িতে করে অবাধে অবৈধ বালু উত্তোলন করছে একটি প্রভাবশালী মহল। ফলে এলাকার আবাদি জমি বসতবাড়ি প্রাইমারি স্কুল, ঈদগা মাঠ হুমকির মুখে পড়েছে। অবিলম্বে এই মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রশাসন মাঝে মধ্যে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়ে চলে যায়। যাওয়ার পর আবার বালু উত্তোলন করা শুরু করে। পুলিশ এসে নিষেধ করেও থামানো যাচ্ছে না শিমুলতলী এলাকায় বালু উত্তোলন । এ যেন এক বালু উত্তোলনের মহোৎসব।

জানা যায়, বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ও দামোদরপুর ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া যমুনেশ্বরী নদী। নদীর থেকে প্রতিদিন বালু মহলের কিছু চক্র শত শত গাড়ি লাগিয়ে মাটি ও বালু উত্তোলন করে দুই ইউনিয়নের প্রভাবশালীরা। পুলিশ গিয়ে বাধা দিলেও মানছেনা তারা।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,দামোদরপুর ইউনিয়নের শিমুলতলী প্রমাণিক পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে আবাদি জমি থেকে প্রায় দশ ফুট গর্ত করে বালু উত্তোলন করা হয়েছে। হুমকির মুখে রয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় আবাদি জমি ও বসত-বাড়ি।

শিমুলতলী প্রামানিক পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, বিদ্যালয়ের পাশে যেভাবে গর্ত করে মাটি ও বালু উত্তোলন করছে তাতে এবারে বন্যা হলে স্কুলটি হুমকির মুখে পড়বে। তাছাড়াও কিছু আবাদি-জমি বসতবাড়ি ভেঙ্গে যেতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আজিজ বলেন, আমার দশ কাটা জমির পাশে প্রায় ১০ ফুট গর্ত করে মাটি ও বালু উত্তোলন করেছে মইনুল নামের এক বালু ব্যবসায়ী। অনেক বাধা দিয়েও কাজ হয়নি। এবারে বন্যা হলে আমার আবাদি জমি ভেঙ্গে গর্তের মধ্যে পড়বে। আমার জমির পরেই প্রাইমারি স্কুল ও বসতবাড়ি রয়েছে। সবচেয়ে বেশি হুমকির মুখে রয়েছে প্রাইমারি স্কুলটি।

ওই এলাকার জাহানারা বেগম বলেন, যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলছেন জমি ফাঁকা রাখা যাবে না। জমিতে ফসল ফালান। সেখানে তারা আবাদি জমি থেকে বালু ও মাটি উত্তোলন করছে।আমার গাছের বাগানের পাশেই অনেক বড় গর্ত করে বালু ও মাটি নিয়ে যাচ্ছে শেখের হাটের মইনুল নামের এক বালু ব্যবসায়ী। তাকে অনেক বাঁধা করার পরেও সে জোরপূর্বক বালু ও মাটি উত্তোলন করে। বিষয়টি প্রশাসনের কাছে জানালেও কোন পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। তাছাড়াও পাশেই রয়েছে আব্দুল বারেকের ২৫ কাটা আবাদি জমি, আব্দুর রাজ্জাকের ৫ কাটা গাছের বাগান ও ১৫ কাটা আবাদি জমি। এদিকে হুমকির মুখে রয়েছে শরিফুল ইসলামের বসতভিটা, বাবলু শেখের বসতভিটা, আব্দুর রাজ্জাকের বসতভিটা, জাহাঙ্গীরের বসতভিটা আরো রয়েছে একটি ঈদগা মাঠ।

তবে এ বিষয়ে জমির মালিকরা বলেন, আমাদের ওই জমিটা নদীর ধারে হওয়ায় চাষ বাদ করতে পারি না। জমিটিতে অনেক বালু কোন ফসল ভালো হয় না। দীর্ঘদিন পরে থাকার পর আমরা ওই জমিটির বালু ও মাটি তিন লাখ টাক বিক্রি করে দেই বালু ব্যবসায়ী মইনুল এর কাছে।

এ বিষয়ে বালু ব্যবসায়ী মইনুল ইসলামের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, আমি মালিকানা জমির মাটি ও বালু উত্তোলন করিছি। ওই এলাকার মোঃ এস্কান্দার আলি, মোঃ আনোয়ার হোসেন সহ চার ভাইয়ের জমি থেকে বালু উত্তোলন করে আসছি। আমি ওই মাটি ও বালুর দাম দিয়েছি তিন লাখ টাকা। আমি মাটি ও বালু তোলার সময় কেউ বাধা দেয়নি। স্থানীয়রা নিষেধ করলে আমি মাটি ও বালু তুলতামনা বলে জানিয়েছেন।

অপরদিকে দামোদরপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের জলুবর দিঘীরপাড় ঘাট এলাকার মোঃ হেলাল শেখ অভিযোগ করে বলেন, গত বন্যার সময় আমাদের ৫০ শতক জমি ভেঙ্গে নদীতে চলে যায়। বর্তমান নদীটির পানি আমাদের জমির উপর যাচ্ছে। অপরদিকে মধুপুর ইউনিয়নের নাওপাড়া এলাকায় চড় হলে সেখানকার কিছু প্রভাবশালীরা প্রতিদিন শত শত গাড়ি লাগিয়ে বালু উত্তোলন করছে। কিছুদিন আগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে শ্যালো-মেশিন, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম জব্দ করেন। কিছুদিন বালু উত্তোলন বন্ধ থাকলেও পরবর্তীতে আবারও বালু উত্তোলন শুরু করে এই কারবার।

গত (২৭শে মে) শনিবার দুপুরে দামোদরপুর ইউনিয়নের চিলাপাকে যমুনেশ্বরী নদীর কালারঘাটে শ্যালো-মেশিন লাগিয়ে বালু উত্তোলন করছে ওই এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। বালু উত্তোলন করার সময় লেবার তারিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এই বালু উত্তোলন করা হচ্ছে মসজিদের জন্য। জানতে চাইলে কারা এই বালু উঠাচ্ছে তিনি বলেন, মৃত মসজিদ মেম্বারের ছেলে লেবু মিয়া, ডালিম মিয়া, মৃত সাফায়েত হোসেনের ছেলে আবুল কালাম এই বালু উত্তোলন করছে।

কালারঘাটের খেয়াঘাটের মাঝি আব্দুল মান্নান বলেন, কিছুদিন আগেই এখান থেকে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করা হয়েছিল আবারো মেশিন লাগিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

এদিকে নাগের হাট এলাকার এক হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, নাগের হাঠ ব্রিজের পাশেই নদী থেকে প্রতিদিন শত শত গাড়ি লাগিয়ে বালু উঠাচ্ছে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীরা। এর আগেই ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকটি ট্রাক্টর গাড়ি ও ড্রেজার মেশিন জব্দ করে নিয়ে যায়। কিছু দিন বালু উত্তোলন বন্ধ করা থাকলেও পরবর্তীতে আবারও বালু উত্তোলন শুরু হয়ে যায়। এই বালু উত্তোলন বন্ধ করার কেউ নেই।

সরজমিনে দেখা যায় গত (২৪ মে) বুধবার নাগেরহাট ব্রিজের পাশে বদরগঞ্জ থানার এ এস আই বিদ্যুৎ বালু উত্তোলন করা রাস্তাটি নিজ হাতে কোদাল দিয়ে কেটে দিয়ে চলে যান। পরবর্তীতে বিকেলে আবারও সেই রাস্তাটির গত পূরণ করে বালু উত্তোলন করা শুরু করেন ওই এলাকার বালু ব্যবসায়ীরা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) আবু সাঈদ জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কারাদণ্ড ও জরিমানাদণ্ড প্রদান ছাড়াও নিয়মিত মামলা দায়ের করা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।