প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্কই ভারতের লক্ষ্য : রাজনাথ সিং
- Update Time : ১২:২৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
- / ৩০১ Time View
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাই ভারতের মূল লক্ষ্য। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ভারত যে কোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম হলেও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক সহযোগিতাকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়।
ভারতের সংবাদমাধ্যম নেটওয়ার্ক ১৮-এর প্রধান সম্পাদক রাহুল জোশিকে দেওয়া এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে রাজনাথ সিং এই মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে আসে।
রাজনাথ সিং বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো ধরনের উত্তেজনা চায় না। একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহম্মদ ইউনূসকে নিজের বক্তব্যের শব্দচয়নে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
রাজনাথ সিং বলেন, “আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তেজনা চাই না। তবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার উচিত হবে নিজের বিবৃতির শব্দচয়নে সতর্ক থাকা।”
তিনি আরও বলেন, “ভারত যে কোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম। তবে আমাদের মূল লক্ষ্য হলো প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।”
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে আছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহম্মদ ইউনূস। সরকার গঠনের পর থেকেই তাঁর প্রশাসনের সঙ্গে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সম্পর্ক কিছুটা টানাপোড়েনের মধ্যে রয়েছে।
সম্প্রতি ঢাকায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফস কমিটি (সিজিসিএসসি)-এর চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জা ও তুরস্কের সংসদের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেছেন ড. ইউনূস। উভয় দেশ— পাকিস্তান ও তুরস্ক— সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিকভাবে তিক্ত সম্পর্কে জড়িত।
তুর্কি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন তুরস্কের এমপি মেহমেত আকিফ ইলমাজ। বৈঠক শেষে ইউনূস তাঁদের উপহার দেন “আর্ট অব ট্রায়াম্ফ” নামের একটি গ্রন্থ, যেখানে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময়কার কিছু ছবি ও গ্রাফিতির সংকলন অন্তর্ভুক্ত আছে।
তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮ দাবি করেছে, বইটিতে এমন কিছু চিত্র বা মানচিত্র রয়েছে যা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আসাম রাজ্যের ভূখণ্ড নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
















































































































































































