ঢাকা ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে সরকার: ফখরুল

Reporter Name
  • Update Time : ১১:২৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩
  • / ৯০ Time View

কর্তৃত্ববাদের হাতিয়ার হিসেবে সরকার পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার জাগপা প্রতিষ্ঠাতা শফিউল আলম প্রধানের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় দেয়া বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, মানুষের অধিকার নিশ্চিত ও সাম্যের কথা বললেও আওয়ামী লীগ অন্যায়ভাবে দুইটি প্রতারণার নির্বাচন করেছে। কর্তৃত্ববাদের হাতিয়ার হিসেবে পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে সরকার।

মির্জা ফখরুল বলেন, পুরো নির্বাচনটাকে নিজেদের মতো করে নিতে যায় তারা। আওয়ামী লীগের নির্বাচনের শরীক দল ওয়ার্কার্স পার্টিও দাবি করেছে পরিকল্পিত নির্বাচন চায় না। বেশিরভাগ সিটিতে বিরোধীদলও প্রার্থী দিচ্ছে না। এই সরকার থাকলে কোনো নির্বাচন হবে না। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই নির্বাচন হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক দেশ হবে না কর্তৃত্ববাদী- তা নির্ধারণের সময় এখন। সরকার জনগণের মুখোমুখি দাড়িয়ে গেছে। দেশের মানুষ যখন ঐক্যবদ্ধ তখন পুলিশ সন্ত্রাসী দিয়ে সরকার আন্দোলন নস্যাৎ করতে চাইছে। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে অন্যায়ভাবে কীভাবে আন্দোলন নস্যাৎ করা যায়, সে চক্রান্ত করছে।

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা কথা বলে না গদি চলে যাওয়ার ভয়ে। সবাই ঐক্যবদ্ধ না হলে দেশ রক্ষা হবে না।

বর্তমান আওয়ামী লীগ কাউকে সহ্য করতে পারে না- এমন অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগের নতুনরা আরও বেশি কর্তৃত্ববাদী, আওয়ামী লীগের বডি কেমিস্ট্রিতে সন্ত্রাস আর চুরি। ভালো মানুষেরা আওয়ামী লীগ করতে পারে না।

মির্জা ফখরুল বলেন, লুটেরা সমাজ, মাফিয়া শ্রেণি তৈরি করেছে আওয়ামী লীগ। তারা দেশের অর্থনীতিকে খুবলে খুবলে খাচ্ছে, বাইরে অর্থ পাচার করছে। দেশ আজ ঋণখেলাপীতে চ্যাম্পিয়ন কারণ যারা ঋণ নেয় তারা সরকারের লোক।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, অনেক ধরনের খেলা হবে। চেষ্টা হবে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করার।

দেশপ্রেমিক শক্তিকে ভুল না বুঝে ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একাত্তরের মতো আন্দোলনে নেমে শান্তিপূর্ণভাবে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বাইরে থেকে এসে কেউ করে দিবে না। নিজেদেরই দাবি আদায় করে নিতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে সরকার: ফখরুল

Update Time : ১১:২৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩

কর্তৃত্ববাদের হাতিয়ার হিসেবে সরকার পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার জাগপা প্রতিষ্ঠাতা শফিউল আলম প্রধানের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় দেয়া বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, মানুষের অধিকার নিশ্চিত ও সাম্যের কথা বললেও আওয়ামী লীগ অন্যায়ভাবে দুইটি প্রতারণার নির্বাচন করেছে। কর্তৃত্ববাদের হাতিয়ার হিসেবে পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে সরকার।

মির্জা ফখরুল বলেন, পুরো নির্বাচনটাকে নিজেদের মতো করে নিতে যায় তারা। আওয়ামী লীগের নির্বাচনের শরীক দল ওয়ার্কার্স পার্টিও দাবি করেছে পরিকল্পিত নির্বাচন চায় না। বেশিরভাগ সিটিতে বিরোধীদলও প্রার্থী দিচ্ছে না। এই সরকার থাকলে কোনো নির্বাচন হবে না। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই নির্বাচন হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক দেশ হবে না কর্তৃত্ববাদী- তা নির্ধারণের সময় এখন। সরকার জনগণের মুখোমুখি দাড়িয়ে গেছে। দেশের মানুষ যখন ঐক্যবদ্ধ তখন পুলিশ সন্ত্রাসী দিয়ে সরকার আন্দোলন নস্যাৎ করতে চাইছে। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে অন্যায়ভাবে কীভাবে আন্দোলন নস্যাৎ করা যায়, সে চক্রান্ত করছে।

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা কথা বলে না গদি চলে যাওয়ার ভয়ে। সবাই ঐক্যবদ্ধ না হলে দেশ রক্ষা হবে না।

বর্তমান আওয়ামী লীগ কাউকে সহ্য করতে পারে না- এমন অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগের নতুনরা আরও বেশি কর্তৃত্ববাদী, আওয়ামী লীগের বডি কেমিস্ট্রিতে সন্ত্রাস আর চুরি। ভালো মানুষেরা আওয়ামী লীগ করতে পারে না।

মির্জা ফখরুল বলেন, লুটেরা সমাজ, মাফিয়া শ্রেণি তৈরি করেছে আওয়ামী লীগ। তারা দেশের অর্থনীতিকে খুবলে খুবলে খাচ্ছে, বাইরে অর্থ পাচার করছে। দেশ আজ ঋণখেলাপীতে চ্যাম্পিয়ন কারণ যারা ঋণ নেয় তারা সরকারের লোক।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, অনেক ধরনের খেলা হবে। চেষ্টা হবে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করার।

দেশপ্রেমিক শক্তিকে ভুল না বুঝে ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একাত্তরের মতো আন্দোলনে নেমে শান্তিপূর্ণভাবে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বাইরে থেকে এসে কেউ করে দিবে না। নিজেদেরই দাবি আদায় করে নিতে হবে।