নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে ধর্ষণ
- Update Time : ১০:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১৪২ Time View
ঝিনাইদহে স্বামী পরিত্যক্তা এক নারীকে (৩৫) তুলে নিয়ে গিয়ে মাইক্রোবাসের মধ্যে ধর্ষণ করেছে একই এলাকার এক লম্পট। ধর্ষণ করেই থেমে থাকেনি। ওই নারীর শরীরের লজ্জাস্থানসহ বিভিন্নস্থানে সিগারেটের আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং মেরে ক্ষতবিক্ষত করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার ঝিনাইদহ শহরের পার মথুরাপুর রেস্টুরেন্টের কাছে। বর্তমানে স্থানীয়রা ওই নারীকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী ঝিনাইদহ সদর থানার শৈলকুপা উপজেলার হাবিবপুর মোল্লাপাড়ার কামরুল খন্দকারের ছেলে নাজমুল খন্দকার ও শতকত খন্দকারের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে। মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগে জানা গেছে, এক বছর আগে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার হাবিবপুর গ্রামের মোল্লাপাড়ার কামরুল খন্দকারের ছেলে নাজমুল খন্দাকারের সাথে একই উপজেলা বগুড়া গ্রামের বদিয়ার রহমানের মেয়ের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর নাজমুল খন্দাকার নেশাগ্রস্থ হয়ে পড়ে এবং স্ত্রীকে কারনে-অকারনে মারপিট করতে থাকে। এরমধ্যে স্ত্রীর পেটে ছুরি মারায় তার শশুরবাড়ির লোকজন মেয়েকে ডিভোর্স নেয়ায়। এরই মধ্যে এক বছর কেটে যায়। তারপর স্ত্রীর পরিবার ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর উদায়ন স্কুল পাড়ায় ভাড়া বাড়িতে বসবাস শুরু করে।
এরমধ্যে গত ১৭ ডিসেম্বর ওই ভাড়া বাড়িতে নাজমুল জোরপূর্বক প্রবেশ করে সোনার ব্যসলেট, চেইন, নগদ টাকাসহ লুট করে নিয়ে যায়। এঘটনায় ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন নাজমুলের সাবেক স্ত্রী। দু-দফা পুলিশ বিষয়টি নিয়ে শালিস মীমাংসায় বসেন উভয় পরিবারের লোকজনদের নিয়ে। সেখানে ২ লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু বিষয়টি মেনে নেননি সাবেক ওই স্ত্রী। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৩ জানুয়ারি তার সাবেক স্ত্রীকে মাইক্রোবাসে তুলে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে এবং সিগারেটের আগুন দিয়ে শরীরের বিভিন্নস্থানে পুড়িয়ে দেয়। একই সাথে লজ্জাস্থানসহ বিভিন্ন জায়গায় ব্লেড দিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করে ফেলে। পরে ওই নারী অজ্ঞান হয়ে পড়লে তারা তাঁকে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায়। মারাত্মক রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি সামসুল আরেফিন জানান, ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। আমরা অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
জনপ্রিয়





















































































































































