ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তৃতীয় বিয়ে করতে না পারায় তরুণের আত্মহত্যা

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৮:৫০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জুন ২০২৩
  • / ১৬১ Time View

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে আম গাছে গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত অবস্থায় মো. শাকিল আহমেদ রিফাত (২১) নামে এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১০ জুন) ভোরে উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নের তরফ পাছাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রিফাত ওই এলাকার মৃত আজিজুল হকের ছেলে।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে রিফাতের বাব মারা যাওয়ার পর ছেলে রিফাত লাগামহীন চলাফেরা শুরু করে। মায়ের কোনো কথাই শুনছিল না। সে ছিল জেদি ও একঘেয়েমি প্রকৃতির। দুটি বিয়ে করে দুই বউকেই তালাক দিয়ে দেয়। পরে তৃতীয় আরেকটি বিয়ে করতে চাইলে এতে তার মা মোছা. আনোয়ার বেগম বাঁধা দেয়। পরে তৃতীয় বিয়ে করতে না পারায় বেশ কিছুদিন ধরে খাওয়া দাওয়া ছেড়ে অসুস্থ হইয়ে পড়ে। একপর্যায়ে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে যায় রিফাত।

ঘটনার আগে শুক্রবার দিবাগত রাতেও একবার ঘরের ভেতর ফ্যানের সঙ্গে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিল সে। পরিবারের বাঁধায় তখন আর আত্মহত্যা করতে পারেনি। পরে পরিবারের লোকজন ঘুমিয়ে গেলে গভীর রাতে চুপচাপ ঘর থেকে বের হয়ে বাড়ির পাশে পুকুরের আম গাছে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেয় রিফাত। ভোরে ফাঁস লাগানো অবস্থায় রিফাতকে আম গাছে ঝুলতে দেখে প্রতিবেশীরা চিৎকার করতে থাকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পিএসএম মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

তৃতীয় বিয়ে করতে না পারায় তরুণের আত্মহত্যা

Update Time : ০৮:৫০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জুন ২০২৩

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে আম গাছে গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত অবস্থায় মো. শাকিল আহমেদ রিফাত (২১) নামে এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১০ জুন) ভোরে উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নের তরফ পাছাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রিফাত ওই এলাকার মৃত আজিজুল হকের ছেলে।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে রিফাতের বাব মারা যাওয়ার পর ছেলে রিফাত লাগামহীন চলাফেরা শুরু করে। মায়ের কোনো কথাই শুনছিল না। সে ছিল জেদি ও একঘেয়েমি প্রকৃতির। দুটি বিয়ে করে দুই বউকেই তালাক দিয়ে দেয়। পরে তৃতীয় আরেকটি বিয়ে করতে চাইলে এতে তার মা মোছা. আনোয়ার বেগম বাঁধা দেয়। পরে তৃতীয় বিয়ে করতে না পারায় বেশ কিছুদিন ধরে খাওয়া দাওয়া ছেড়ে অসুস্থ হইয়ে পড়ে। একপর্যায়ে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে যায় রিফাত।

ঘটনার আগে শুক্রবার দিবাগত রাতেও একবার ঘরের ভেতর ফ্যানের সঙ্গে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিল সে। পরিবারের বাঁধায় তখন আর আত্মহত্যা করতে পারেনি। পরে পরিবারের লোকজন ঘুমিয়ে গেলে গভীর রাতে চুপচাপ ঘর থেকে বের হয়ে বাড়ির পাশে পুকুরের আম গাছে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেয় রিফাত। ভোরে ফাঁস লাগানো অবস্থায় রিফাতকে আম গাছে ঝুলতে দেখে প্রতিবেশীরা চিৎকার করতে থাকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পিএসএম মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।