ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তীব্র তাপদাহের পর রংপুরে স্বস্তির বৃষ্টি

কামরুল হাসান টিটু, রংপুর ব‌্যু‌রো
  • Update Time : ০৭:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জুন ২০২৩
  • / ১২৪ Time View

তীব্র তাপদাহ আর লোডশেডিংয়ের মধ্যে রংপুরে স্বস্তির বৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (৯ জুন) সকাল ৮ টা ২৫ মিনিটে শুরু বৃষ্টি হয়।

রংপুর আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে, গত ২০ মে থেকে আজ শুক্রবার পর্যন্ত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে। ফলে তীব্র তাপদাহে উত্তপ্ত রংপুরসহ উত্তরের প্রতিটি প্রান্তর। এরমধ্যে রয়েছে ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিংয়ের তাণ্ডব। ২৪ ঘণ্টায় ৬ থেকে ৭ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না।

যদিও নেসকোর রংপুর বিভাগীয় প্রধান প্রকৌশলী জাকির হোসেনের দাবি, রংপুর মহানগরীতে কমবেশি ১২৮ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ১০৮ এবং রংপুর বিভাগের আট জেলায় ৮৪২ মেগাওয়াটের বিপরীতে ৭৩১ মেগাওয়াট সরবরাহ হচ্ছে। যদি নেসকোর এ তথ্য সঠিক হয়, তাহলে ৮ ঘণ্টা নয়, লোডশেডিং হওয়া কথা ১ ঘণ্টা।

এদিকে তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে তৈরি হয়েছে নাকাল পরিস্থিতি। কাজ-কর্মেও দেখা দিয়েছে নজিরবিহীন স্থবিরতা।

রংপুরের খামার পাড়ার বাসিন্দা আফ‌রোজা বেগম বলেন,সকাল থেকেই আকাশ কুয়াশার মতো ঢেকে ছিল। সোয়া ৮ টার পর বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আল্লাহর রহমতের বৃষ্টি। এ বৃষ্টি অব্যাহত থাকুক এই দোয়া করি।

রংপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান জানান, শুক্রবার দুপুর পৌনে ১১টা পর্যন্ত ৪৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর আগে ৪ জুন বিকেলে ১৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছিল। থেমে থেমে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

তীব্র তাপদাহের পর রংপুরে স্বস্তির বৃষ্টি

Update Time : ০৭:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জুন ২০২৩

তীব্র তাপদাহ আর লোডশেডিংয়ের মধ্যে রংপুরে স্বস্তির বৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (৯ জুন) সকাল ৮ টা ২৫ মিনিটে শুরু বৃষ্টি হয়।

রংপুর আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে, গত ২০ মে থেকে আজ শুক্রবার পর্যন্ত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে। ফলে তীব্র তাপদাহে উত্তপ্ত রংপুরসহ উত্তরের প্রতিটি প্রান্তর। এরমধ্যে রয়েছে ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিংয়ের তাণ্ডব। ২৪ ঘণ্টায় ৬ থেকে ৭ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না।

যদিও নেসকোর রংপুর বিভাগীয় প্রধান প্রকৌশলী জাকির হোসেনের দাবি, রংপুর মহানগরীতে কমবেশি ১২৮ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ১০৮ এবং রংপুর বিভাগের আট জেলায় ৮৪২ মেগাওয়াটের বিপরীতে ৭৩১ মেগাওয়াট সরবরাহ হচ্ছে। যদি নেসকোর এ তথ্য সঠিক হয়, তাহলে ৮ ঘণ্টা নয়, লোডশেডিং হওয়া কথা ১ ঘণ্টা।

এদিকে তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে তৈরি হয়েছে নাকাল পরিস্থিতি। কাজ-কর্মেও দেখা দিয়েছে নজিরবিহীন স্থবিরতা।

রংপুরের খামার পাড়ার বাসিন্দা আফ‌রোজা বেগম বলেন,সকাল থেকেই আকাশ কুয়াশার মতো ঢেকে ছিল। সোয়া ৮ টার পর বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আল্লাহর রহমতের বৃষ্টি। এ বৃষ্টি অব্যাহত থাকুক এই দোয়া করি।

রংপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান জানান, শুক্রবার দুপুর পৌনে ১১টা পর্যন্ত ৪৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর আগে ৪ জুন বিকেলে ১৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছিল। থেমে থেমে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি।