ঢাকা ১০:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আগামি ৭ দিনের মধ্যে মদের বার বন্ধ না হলে কঠোর আন্দোলন

ডেমরায় মদের বার বন্ধে ফের এলাকাবাসীর প্রতিবাদ

মোঃ হারুন অর রশিদ, ডেমরা
  • Update Time : ০৭:১৬:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জুন ২০২৩
  • / ৬৭ Time View

ডেমরায় মদের বার বন্ধে ফের প্রতিবাদ সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচী পালন করেছেন এলাকাবাসী। শুক্রবার বাদ জুম্মা বাঁশেরপুর এলাকায় মল্লিকা ফেরদৌস টাওয়ারে সামনে ঘন্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ করে এসব কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।

এ সময় বাঁশেরপুল আবাসিক এলাকা থেকে মল্লিকা টাওয়ারের তৃতীয় তলায় অবস্থিত মদের বারটি অন্য অভিজাত এলাকায় স্থানান্তরের জন্য আগামি ৭ দিনের আল্টিমেটাম দেন এলাকাবাসী। এতে উপস্থিত ছিলেন বাঁশেরপুল এলাকার বিভিন্ন মসজিদের ঈমাম, খতিব, সামাজিক—রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষার্থী ও অভিভবাকমহলসহ সর্বস্তরের জনগন।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, রাজধানীর খুব নিকটে সত্বেও স্বাধীনতার পর থেকেই ডেমরা অঞ্চলটি বসবাসের জন্য শান্তিপূর্ন। এখানে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সামাজিক অবক্ষয় নেই বললেই চলে। এখানে ধর্মপ্রাণ মুসলমানসহ নানা শ্রেণী পেশার লাখো মানুষের বসবাস। এছাড়া মদের বারটির ২০০ গজ দূরে গোলাম মোস্তফা ও শামিম শিকদার স্কুল এন্ড কলেজ অবস্থিত। কিছু দুর সামনেই ঐতিহ্যবাহী সামসুল হক খাঁন ও মান্নান স্কুল এন্ড কলেজ অবস্থিত। পাশাপাশি বারের ভবনটিতে সাব রেজিষ্টার অফিস, ব্যাংক, উপরে আবাসিক বাসাবাড়ি, পাশে মেডিকেল, আশপাশে ৮ টি মসজিদ, ৫ টি মাদ্রাসাসহ ডেমরা থানা এলাকায় অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদ—মাদ্রাসা রয়েছে।

বক্তারা আরও বলেন, মদের বারটি চালানোর অনুমোদন রয়েছে স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায়, কিন্তু তারা জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে জোরপূর্বক বাঁশেরপুল এলাকায় বার করেছে। অনেক আগেই ডেমরায় শিক্ষার মানোন্নয়ন বৃদ্ধি পাওয়ায় এখান থেকে অনেক শিক্ষার্থী দেশের বড় বড় পর্যায়ে নিজের অবস্থান গড়েছেন। এখন যদি মদের বারটি এ এলাকায় প্রতিষ্ঠা লাভ করে তাহলে ডেমরার শান্তি বিনষ্ট হয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে। বাড়বে সামাজিক অবক্ষয়। মদ সহজলভ্য হলে নেশায় বুঁদ থাকবে যুব সমাজসহ অধিবাসীরা। তাই মদের বারটি দ্রুত বন্ধ করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে ডেমরা থানার ওসি মো. শফিকুর রহমান (পিপিএম) বলেন, এলাকাবাসী শান্তিপূর্নভাবে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। বার কর্তৃপক্ষ সরকারি অনুমোদন নিয়ে কাজ করছে। আর এলাকাবাসী বারের বিরুদ্ধে সরকারি বিভিন্ন দফতরে স্মারকলিপি পাঠিয়েছে। তাই সরকারিভাবে যে সিদ্ধান্ত আসবে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আগামি ৭ দিনের মধ্যে মদের বার বন্ধ না হলে কঠোর আন্দোলন

ডেমরায় মদের বার বন্ধে ফের এলাকাবাসীর প্রতিবাদ

Update Time : ০৭:১৬:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জুন ২০২৩

ডেমরায় মদের বার বন্ধে ফের প্রতিবাদ সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচী পালন করেছেন এলাকাবাসী। শুক্রবার বাদ জুম্মা বাঁশেরপুর এলাকায় মল্লিকা ফেরদৌস টাওয়ারে সামনে ঘন্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ করে এসব কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।

এ সময় বাঁশেরপুল আবাসিক এলাকা থেকে মল্লিকা টাওয়ারের তৃতীয় তলায় অবস্থিত মদের বারটি অন্য অভিজাত এলাকায় স্থানান্তরের জন্য আগামি ৭ দিনের আল্টিমেটাম দেন এলাকাবাসী। এতে উপস্থিত ছিলেন বাঁশেরপুল এলাকার বিভিন্ন মসজিদের ঈমাম, খতিব, সামাজিক—রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষার্থী ও অভিভবাকমহলসহ সর্বস্তরের জনগন।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, রাজধানীর খুব নিকটে সত্বেও স্বাধীনতার পর থেকেই ডেমরা অঞ্চলটি বসবাসের জন্য শান্তিপূর্ন। এখানে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সামাজিক অবক্ষয় নেই বললেই চলে। এখানে ধর্মপ্রাণ মুসলমানসহ নানা শ্রেণী পেশার লাখো মানুষের বসবাস। এছাড়া মদের বারটির ২০০ গজ দূরে গোলাম মোস্তফা ও শামিম শিকদার স্কুল এন্ড কলেজ অবস্থিত। কিছু দুর সামনেই ঐতিহ্যবাহী সামসুল হক খাঁন ও মান্নান স্কুল এন্ড কলেজ অবস্থিত। পাশাপাশি বারের ভবনটিতে সাব রেজিষ্টার অফিস, ব্যাংক, উপরে আবাসিক বাসাবাড়ি, পাশে মেডিকেল, আশপাশে ৮ টি মসজিদ, ৫ টি মাদ্রাসাসহ ডেমরা থানা এলাকায় অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদ—মাদ্রাসা রয়েছে।

বক্তারা আরও বলেন, মদের বারটি চালানোর অনুমোদন রয়েছে স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায়, কিন্তু তারা জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে জোরপূর্বক বাঁশেরপুল এলাকায় বার করেছে। অনেক আগেই ডেমরায় শিক্ষার মানোন্নয়ন বৃদ্ধি পাওয়ায় এখান থেকে অনেক শিক্ষার্থী দেশের বড় বড় পর্যায়ে নিজের অবস্থান গড়েছেন। এখন যদি মদের বারটি এ এলাকায় প্রতিষ্ঠা লাভ করে তাহলে ডেমরার শান্তি বিনষ্ট হয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে। বাড়বে সামাজিক অবক্ষয়। মদ সহজলভ্য হলে নেশায় বুঁদ থাকবে যুব সমাজসহ অধিবাসীরা। তাই মদের বারটি দ্রুত বন্ধ করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে ডেমরা থানার ওসি মো. শফিকুর রহমান (পিপিএম) বলেন, এলাকাবাসী শান্তিপূর্নভাবে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। বার কর্তৃপক্ষ সরকারি অনুমোদন নিয়ে কাজ করছে। আর এলাকাবাসী বারের বিরুদ্ধে সরকারি বিভিন্ন দফতরে স্মারকলিপি পাঠিয়েছে। তাই সরকারিভাবে যে সিদ্ধান্ত আসবে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।