ঢাকা ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ
টঙ্গীতে রিক্সা চালককে ছিনতাইকারী অপবাদ দিয়ে ছাত্রদল নেতার চাঁদাবাজি আ’লীগের কেউ এনসিপিতে যুক্ত হবার সাহস দেখালে আইনের কাছে সোপর্দ করব বিচারিক সংস্কার এখন নিজেই “সংস্কার” শব্দের প্রতীক হয়ে উঠেছে: প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত দুই বিচারপতির সাক্ষাৎ  মায়ের সাথে গোসলে নেমে পুকুরে ডুবে ২সন্তানের মৃত্যু আমরা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে জনগণের কাছে ফিরে যেতে চাই: সারজিস আলম বিয়ে বাড়িতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান নোয়াখালীতে জমজ ২ দুই বোনকে ধর্ষণ কালীগঞ্জে ঈদ পূর্নমিলনী ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পঞ্চগড়ে ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে ব্যাপক কাযক্রম গ্রহণ
শেখ হাসিনা

জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা উচিত

নওরোজ রাজনীতি ডেস্ক
  • Update Time : ১০:০১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৩
  • / ২০৬ Time View

আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম সভায় বক্তৃতা দেন শেখ হাসিনা। ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য বিএনপিসহ দেশের সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, অপরাধ সংঘটন ও অগ্নিসংযোগের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিএনপির আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা উচিত। কারণ নির্বাচনের দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত।

আজ শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম সভার বক্তৃতায় শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সবারই এগিয়ে আসতে হবে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে। সবাইকে জনগণের কাছে গিয়ে ভোট চাইতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, তাদের উচিত তাদের অপরাধের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং তারপরে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা উচিত।

আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান শেখ হাসিনা অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতায় ভয় না পেয়ে নিয়ম মেনে যথাসময়ে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান। সময়মতো নির্বাচন যাতে সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয় সেজন্য তিনি দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এবং তাদের পছন্দের সরকার গঠনের জন্যই এ নির্বাচন। আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে ভোট দেব- স্লোগান দিয়ে আপনারা ভোট দিন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ করেছে এবং এখন সবাই এর সুফল পাচ্ছে। এখন সরকার আগামীতে দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় রয়েছে। আমরা আশা করি আমরা তরুণদের সহযোগিতা নিয়ে এটি করতে পারব।’

শেখ হাসিনা প্রশ্ন তোলেন, যারা খুন করেছে এবং সাধারণ মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা করেছে তাদের জনগণ কেন ভোট দিতে যাবে। জনগণ কেন তাদের ওপর আস্থা রাখবে? জনগণ তাদের বিশ্বাস করে না, কারণ তারা খুনি ও ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে চিহ্নিত।
নির্বাচন জনগণের অধিকার এবং এটা তাদের সাংবিধানিক অধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় এসেছে এবং জনগণ ভোট দেবে। কারো সাহস থাকলে তারা নির্বাচনে অংশ নেবে। জনসমর্থন থাকলে তারা ম্যান্ডেট পাবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি আরো বলেন, জনগণ ভোট দিয়ে যে দলকে নির্বাচিত করবে সেই দলই সরকার গঠন করবে। তারা জনগণের ওপর আস্থা রাখতে ব্যর্থ হয়ে তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

শেখ হাসিনা

জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা উচিত

নওরোজ রাজনীতি ডেস্ক
Update Time : ১০:০১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৩

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য বিএনপিসহ দেশের সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, অপরাধ সংঘটন ও অগ্নিসংযোগের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিএনপির আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা উচিত। কারণ নির্বাচনের দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত।

আজ শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম সভার বক্তৃতায় শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সবারই এগিয়ে আসতে হবে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে। সবাইকে জনগণের কাছে গিয়ে ভোট চাইতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, তাদের উচিত তাদের অপরাধের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং তারপরে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা উচিত।

আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান শেখ হাসিনা অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতায় ভয় না পেয়ে নিয়ম মেনে যথাসময়ে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান। সময়মতো নির্বাচন যাতে সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয় সেজন্য তিনি দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এবং তাদের পছন্দের সরকার গঠনের জন্যই এ নির্বাচন। আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে ভোট দেব- স্লোগান দিয়ে আপনারা ভোট দিন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ করেছে এবং এখন সবাই এর সুফল পাচ্ছে। এখন সরকার আগামীতে দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় রয়েছে। আমরা আশা করি আমরা তরুণদের সহযোগিতা নিয়ে এটি করতে পারব।’

শেখ হাসিনা প্রশ্ন তোলেন, যারা খুন করেছে এবং সাধারণ মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা করেছে তাদের জনগণ কেন ভোট দিতে যাবে। জনগণ কেন তাদের ওপর আস্থা রাখবে? জনগণ তাদের বিশ্বাস করে না, কারণ তারা খুনি ও ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে চিহ্নিত।
নির্বাচন জনগণের অধিকার এবং এটা তাদের সাংবিধানিক অধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় এসেছে এবং জনগণ ভোট দেবে। কারো সাহস থাকলে তারা নির্বাচনে অংশ নেবে। জনসমর্থন থাকলে তারা ম্যান্ডেট পাবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি আরো বলেন, জনগণ ভোট দিয়ে যে দলকে নির্বাচিত করবে সেই দলই সরকার গঠন করবে। তারা জনগণের ওপর আস্থা রাখতে ব্যর্থ হয়ে তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।