ঢাকা ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জবির নতুন ক্যাম্পাসের স্থানীয়দের  সীমানা প্রাচীর ভাংচুর

 মো রাকিব হাসান জবি প্রতিনিধি:
  • Update Time : ০৭:০১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জুন ২০২৩
  • / ১৩৩ Time View
ঢাকার কেরাণীগঞ্জের তেঘরিয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নির্মানাধীন নতুন ক্যাম্পাসের সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করেছে স্থানীয়রা।
সোমবার (১৯ জুন) ক্যাম্পাসটির পূর্বপাশে মুজাহিদনগর মাদরাসার পাশে সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গার ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তর জানায়, এদিন সকালে নতুন ক্যাম্পাসের সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গা হচ্ছে জানতে পেরে ঘটনাস্থলে যান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক সমিতি সভাপতিসহ নানা কমর্কর্তারা হাজির হন।
 ঘটনাস্থলে দেখা  যায় যে, স্থানীয় নূর আলম ওরফে বাবুল, তার ম্যানেজার বিলাস ও ড্রাইভার কামালসহ স্থানীয় ২০-২৫ জন লেবার এনে হাতুড়িসহ দেশিয় অস্ত্র নিয়ে নতুন ক্যাম্পাসের নির্মানাধীন প্রাচীরের পিলার ভাঙ্গতে থাকে।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ও ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে বাকবিতন্ডা শুরু হয়।
পরে পুলিশ আসলে ভাংচুর চালানো স্থানীয়রা সবাই পালিয়ে যান।এসময় তাদের ব্যবহৃত প্রাডো জিপ গাড়ী রেখে চলে যায়।
পরে কেরানীগঞ্জ থানায় গাড়িটি জব্দ করে নিয়ে যাওয়া হয়।
 ্এ বিষয়ে স্থানীয়রা দাবি করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর সরকারি রাস্তার ওপর পড়েছে। তাই এই রাস্তা বের করতে চান।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জমির পাশে স্থানীয়দের জমি রয়েছে। সেই জমির জন্য তারা রাস্তা বের করতে এ ভাংচুর চালায়।
এ বিষয়ে  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী  হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে অনেক আগেই লাল পতাকা দিয়ে ক্যাম্পাসের সীমানা দেখিয়েছে। আমরা সেটা অনুসারে সীমানা প্রাচীর করেছি।
কিন্তু ক্যাম্পাসের পাশে এক জমির মালিক নূর আলম বলছে সরকারি রাস্তার ওপর সীমানা প্রাচীর গেছে। কিন্তু তারা এটা ডিসি অফিসকে জানাক। সরকারি স্থাপনায় হামলা করবে কেন।
পরে ঢাকা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ পুলিশ আসলে স্থানীয়রা পালিয়ে যায়। তাদের ফেলে যাওয়া প্রাডো মডেলের গাড়ি ফেলে রেখে যায়।
এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহ্জামান বলেন, স্থানীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানা প্রচীর নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি থেকে ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে আমরা একটি গাড়ি জব্দ করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি ও স্থানীয়দের নিয়ে সমঝোতার চেষ্টা চলছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

জবির নতুন ক্যাম্পাসের স্থানীয়দের  সীমানা প্রাচীর ভাংচুর

Update Time : ০৭:০১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জুন ২০২৩
ঢাকার কেরাণীগঞ্জের তেঘরিয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নির্মানাধীন নতুন ক্যাম্পাসের সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করেছে স্থানীয়রা।
সোমবার (১৯ জুন) ক্যাম্পাসটির পূর্বপাশে মুজাহিদনগর মাদরাসার পাশে সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গার ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তর জানায়, এদিন সকালে নতুন ক্যাম্পাসের সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গা হচ্ছে জানতে পেরে ঘটনাস্থলে যান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক সমিতি সভাপতিসহ নানা কমর্কর্তারা হাজির হন।
 ঘটনাস্থলে দেখা  যায় যে, স্থানীয় নূর আলম ওরফে বাবুল, তার ম্যানেজার বিলাস ও ড্রাইভার কামালসহ স্থানীয় ২০-২৫ জন লেবার এনে হাতুড়িসহ দেশিয় অস্ত্র নিয়ে নতুন ক্যাম্পাসের নির্মানাধীন প্রাচীরের পিলার ভাঙ্গতে থাকে।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ও ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে বাকবিতন্ডা শুরু হয়।
পরে পুলিশ আসলে ভাংচুর চালানো স্থানীয়রা সবাই পালিয়ে যান।এসময় তাদের ব্যবহৃত প্রাডো জিপ গাড়ী রেখে চলে যায়।
পরে কেরানীগঞ্জ থানায় গাড়িটি জব্দ করে নিয়ে যাওয়া হয়।
 ্এ বিষয়ে স্থানীয়রা দাবি করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর সরকারি রাস্তার ওপর পড়েছে। তাই এই রাস্তা বের করতে চান।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জমির পাশে স্থানীয়দের জমি রয়েছে। সেই জমির জন্য তারা রাস্তা বের করতে এ ভাংচুর চালায়।
এ বিষয়ে  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী  হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে অনেক আগেই লাল পতাকা দিয়ে ক্যাম্পাসের সীমানা দেখিয়েছে। আমরা সেটা অনুসারে সীমানা প্রাচীর করেছি।
কিন্তু ক্যাম্পাসের পাশে এক জমির মালিক নূর আলম বলছে সরকারি রাস্তার ওপর সীমানা প্রাচীর গেছে। কিন্তু তারা এটা ডিসি অফিসকে জানাক। সরকারি স্থাপনায় হামলা করবে কেন।
পরে ঢাকা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ পুলিশ আসলে স্থানীয়রা পালিয়ে যায়। তাদের ফেলে যাওয়া প্রাডো মডেলের গাড়ি ফেলে রেখে যায়।
এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহ্জামান বলেন, স্থানীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানা প্রচীর নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি থেকে ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে আমরা একটি গাড়ি জব্দ করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি ও স্থানীয়দের নিয়ে সমঝোতার চেষ্টা চলছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।