ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাকরিতে বয়সসীমা ৩৫ করাসহ তিন দফা দাবিতে শাহবাগ অবরোধ

ঢাবি প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৭:০৪:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জুন ২০২৩
  • / ৯৫ Time View

আবারও সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন চাকরিপ্রত্যাশীরা।

শনিবার (১০ জুন) দুপুর ১২টা থেকে বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৫ করাসহ তিন দফা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে অবস্থান নিয়েছেন তারা।

শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে আন্দোলনকারীরা শাহবাগ এলাকায় একত্রিত হতে শুরু করেন। শরিফুল ইসলাম চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ প্রত্যাশী শিক্ষার্থী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক।

পরে দুপুরের পর তারা শাহবাগ মোড় অবরোধ করে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেন। অবরোধকারী চাকরি প্রত্যাশীদের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে ।

বক্তব্য প্রদানকালে শরিফুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ২০১৮’র পাতা ৩২ এবং শিক্ষা দক্ষতা ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছিল, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে মেধা ও দক্ষতা বিবেচনায় রেখে বাস্তবতার নিরিখে যুক্তিসংগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, ২০১১ সালে সরকারি চাকরি থেকে অবসরের বয়স দুই বছর বৃদ্ধি করে ৫৭ থেকে ৫৯ বছর করা হলেও চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করা হয়নি। ফলে দেশে বাড়ছে শিক্ষিত-উচ্চশিক্ষিত বেকারের সংখ্যা।

চাকরি প্রত্যাশীরা বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশ চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর বা তার বেশি থাকা সত্ত্বেও করোনা মহামারির কারণে চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা আরও ২-৩ বছর পর্যন্ত বাড়িয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে এখন পর্যন্ত ৭১ বার সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বাড়ানোর দাবি উত্থাপন ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির সুপারিশ করলেও তা এখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি।

আন্দোলনকারীরা তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে তারা অনেকের আশ্বাসে আন্দোলন থেকে ফিরে গেছেন। কিন্তু এবার তারা দাবি আদায় করবেন।

তাদের দাবি গুলো হলো –
১. দ্রুত সময়ের মধ্যে চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩০ বছর থেকে বৃদ্ধি করে ৩৫ বছর এবং অবসরে বয়সসীমা বৃদ্ধি,

২. সরকারি চাকরিতে আবেদনের ফি কমিয়ে সর্বোচ্চ প্রথম শ্রেণিতে ২০০ টাকা করা,

৩. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুষদে বঙ্গবন্ধুর নামে বঙ্গবন্ধু ল’কমপ্লেক্স (বঙ্গবন্ধু চেয়ার এবং একটি ম্যুরাল) স্থাপন করা।

Please Share This Post in Your Social Media

চাকরিতে বয়সসীমা ৩৫ করাসহ তিন দফা দাবিতে শাহবাগ অবরোধ

Update Time : ০৭:০৪:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জুন ২০২৩

আবারও সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন চাকরিপ্রত্যাশীরা।

শনিবার (১০ জুন) দুপুর ১২টা থেকে বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৫ করাসহ তিন দফা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে অবস্থান নিয়েছেন তারা।

শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে আন্দোলনকারীরা শাহবাগ এলাকায় একত্রিত হতে শুরু করেন। শরিফুল ইসলাম চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ প্রত্যাশী শিক্ষার্থী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক।

পরে দুপুরের পর তারা শাহবাগ মোড় অবরোধ করে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেন। অবরোধকারী চাকরি প্রত্যাশীদের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে ।

বক্তব্য প্রদানকালে শরিফুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ২০১৮’র পাতা ৩২ এবং শিক্ষা দক্ষতা ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছিল, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে মেধা ও দক্ষতা বিবেচনায় রেখে বাস্তবতার নিরিখে যুক্তিসংগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, ২০১১ সালে সরকারি চাকরি থেকে অবসরের বয়স দুই বছর বৃদ্ধি করে ৫৭ থেকে ৫৯ বছর করা হলেও চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করা হয়নি। ফলে দেশে বাড়ছে শিক্ষিত-উচ্চশিক্ষিত বেকারের সংখ্যা।

চাকরি প্রত্যাশীরা বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশ চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর বা তার বেশি থাকা সত্ত্বেও করোনা মহামারির কারণে চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা আরও ২-৩ বছর পর্যন্ত বাড়িয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে এখন পর্যন্ত ৭১ বার সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বাড়ানোর দাবি উত্থাপন ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির সুপারিশ করলেও তা এখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি।

আন্দোলনকারীরা তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে তারা অনেকের আশ্বাসে আন্দোলন থেকে ফিরে গেছেন। কিন্তু এবার তারা দাবি আদায় করবেন।

তাদের দাবি গুলো হলো –
১. দ্রুত সময়ের মধ্যে চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩০ বছর থেকে বৃদ্ধি করে ৩৫ বছর এবং অবসরে বয়সসীমা বৃদ্ধি,

২. সরকারি চাকরিতে আবেদনের ফি কমিয়ে সর্বোচ্চ প্রথম শ্রেণিতে ২০০ টাকা করা,

৩. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুষদে বঙ্গবন্ধুর নামে বঙ্গবন্ধু ল’কমপ্লেক্স (বঙ্গবন্ধু চেয়ার এবং একটি ম্যুরাল) স্থাপন করা।