ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কলাপাড়ায় কাল বৈশাখী ঝড়ে ১০টি বসত ঘর বিধ্বস্ত

Reporter Name
  • Update Time : ০৭:১৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩
  • / ৯৯ Time View

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কাল বৈশাখী ঝড়ে ১০টি বসত ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। ঝড়ের সময় ৪ টি বসতঘর পুরোপুরি বিধ্বস্ত ও ৬ টি ঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এসময় বেশ কিছু গাছপালা উপড়ে পড়ে।

গতকাল রাত নয়টায় উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের লস্করপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্থ এসব পরিবারের সদস্যরা বসবাস করছে খোলা আকাশের নিচে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাত্র ১ মিনিটের আকস্মিক কাল বৈশাখী ঝড়ে বেড়িবাঁধের বাইরে বসবাসকারী সত্তার মোল্লা, নেছার ফকির, সোবহান মোল্লা ও শহীদ মোল্লার বসতঘর পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়। এছাড়া এসময় অন্তত আরও ৬ টি বসতর ঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। সড়কসহ বিভিন্ন স্থানে উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা।

ক্ষতিগ্রস্থ সোবহান মিয়া জানান, আমরা মূলত মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করি। কিন্তু রাতে এক মূহুর্তের ঝড়ে আমারা ঘর পুরোপুরি শেষ হয়ে গেছে। এখন আমার পরিবারের সদস্যদের নিচে খোলা আকাশের নিচে আছি। ক্ষতিগ্রস্থ নেছার ফকির জানান, কাল বৈখাখী ঝড় আমার ঘর ভেঙে দিয়েছে। আমি অত্যন্ত গরীব মানুষ। এখন পোলাপাইন নিয়া থাকার মত কোন জায়গা নাই। সরকারের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি।

নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া জানান, ইতিমধ্যে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরী করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

কলাপাড়ায় কাল বৈশাখী ঝড়ে ১০টি বসত ঘর বিধ্বস্ত

Update Time : ০৭:১৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কাল বৈশাখী ঝড়ে ১০টি বসত ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। ঝড়ের সময় ৪ টি বসতঘর পুরোপুরি বিধ্বস্ত ও ৬ টি ঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এসময় বেশ কিছু গাছপালা উপড়ে পড়ে।

গতকাল রাত নয়টায় উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের লস্করপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্থ এসব পরিবারের সদস্যরা বসবাস করছে খোলা আকাশের নিচে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাত্র ১ মিনিটের আকস্মিক কাল বৈশাখী ঝড়ে বেড়িবাঁধের বাইরে বসবাসকারী সত্তার মোল্লা, নেছার ফকির, সোবহান মোল্লা ও শহীদ মোল্লার বসতঘর পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়। এছাড়া এসময় অন্তত আরও ৬ টি বসতর ঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। সড়কসহ বিভিন্ন স্থানে উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা।

ক্ষতিগ্রস্থ সোবহান মিয়া জানান, আমরা মূলত মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করি। কিন্তু রাতে এক মূহুর্তের ঝড়ে আমারা ঘর পুরোপুরি শেষ হয়ে গেছে। এখন আমার পরিবারের সদস্যদের নিচে খোলা আকাশের নিচে আছি। ক্ষতিগ্রস্থ নেছার ফকির জানান, কাল বৈখাখী ঝড় আমার ঘর ভেঙে দিয়েছে। আমি অত্যন্ত গরীব মানুষ। এখন পোলাপাইন নিয়া থাকার মত কোন জায়গা নাই। সরকারের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি।

নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া জানান, ইতিমধ্যে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরী করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।