ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

উত্তরাঞ্চলে ইয়াবা সরবরাহের সমন্বয়ক শাহজাহান গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : ০৫:২৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩
  • / ১৭৫ Time View

টেকনাফ থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে ঢাকায় আসে ইয়াবার চালান। আর সেগুলো গ্রহণ করে সাভারে হেমায়েতপুরের বাসায় মজুত করতেন ঠাকুরগাঁওয়ের শাহজাহান। এরপর নানা কৌশলে উত্তরবঙ্গের কারবারিদের কাছে পৌঁছে দেন ইয়াবা। টেকনাফ থেকে ঢাকায় চালান আনার পর তা উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে কীভাবে, কার কাছে ইয়াবা পৌঁছাবে তার সমন্বয় করতেন এ শাহজাহান।

একটি ইয়াবা চালানের সূত্র ধরে গতকাল বুধবার হেমায়েতপুর থেকে শাহজাহানকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) উত্তর বিভাগ। এর আগে শাহজাহানের কাছে ইয়াবার চালান নিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেফতার হয় ট্রাকচালক আলমগীর।

আলমগীরের ট্রাকের স্পেয়ার চাকার টিউবে বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় ১০ হাজার ইয়াবা ও পরবর্তীতে হেমায়েতপুরে শাহজাহানের বাসা থেকে নারীদের পেটিকোটে সেলাই করে লুকানো অবস্থায় রাখা ১৫ হাজার ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জুন) তেজগাঁওয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো কার্যালয়ের (উত্তর) উপ-পরিচালক মো. রাশেদুজ্জমান আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের তেজগাঁও সার্কেলের একটি টিম বুধবার সকাল থেকে অভিযানে নামে। যাত্রাবাড়ী থানার গোপীবাগের নাহার কিচেনের ২৩/৬/১ নম্বর বাড়ির ডিপিসিয়াস ফুড নামের দোকানের পূর্ব পাশে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মো. আলমগীর নামে এক আসামিকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্য মতে ঢাকার সাভার মডেল থানার হেমায়েতপুর, জয়নাবাড়ী, ঈদগাহ কবরস্থান এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপর আসামি মো. শাহজাহানকে আটক করা করা হয়। এ সময়ে তার কাছ থেকে ১৫ হাজার ইয়াবা জব্দ করা হয়।

গ্রেফতার শাহজাহানকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে তিনি বলেন, টেকনাফ থেকে ঢাকায় আসা ইয়াবা সমন্বয় করে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে পাঠাতো শাহজাহান। রংপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়সহ অন্য জেলাগুলোতে ইয়াবা সরবরাহ করে আসছিল তারা। আর ইয়াবা বহন করার জন্য নারীদের ব্যবহার করতো শাহজাহান।
রাশেদুজ্জমান বলেন, ট্রাকচালক আলমগীরের বিষয়ে রাশেদুজ্জামান বলেন, টেকনাফ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় পণ্য পরিবহনের আড়ালে ইয়াবা বহন করে আসছিল আলমগীর। টেকনাফের ইয়াবা কারবারিদের নির্দেশে দেশের বিভিন্ন জেলায় পৌঁছে দিত ইয়াবা। এ কাজের জন্য প্রতি ট্রিপে এক থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পেতো আলমগীর।

এ পর্যন্ত কতগুলো ট্রিপ দিয়ে তা স্বীকার করেনি আলমগীর। ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, হাতেনাতে আটক করার পরও মাদক কারবারে জড়িতরা কিছু স্বীকার করতে চায় না। রিমান্ডে এনে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে তাদের।

ইয়াবা সরবরাহের মূল সমন্বয়ক শাহজাহান

সংবাদ সম্মেলনে মো. রাশেদুজ্জামান বলেন, শাহজাহান টেকনাফের বিভিন্ন ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইয়াবা সংগ্রহ করে। পরে ওই ইয়াবা ঢাকার হেমায়েতপুরে তার নিজভাড়া বাসায় ইয়াবা মজুদ করে। পরবর্তীতে রংপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়সহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের কাছে ইয়াবা পাইকারী মূলে বিক্রি করেন।

পণ্য পরিবহনের আড়ালে শাহজাহান চক্রের কাছে ইয়াবা পৌঁছে দিতো ট্রাক চালক আলমগীর

রাশেদুজ্জামান বলেন, টেকনাফ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় পণ্য পরিবহনের সুবিধার্থে টেকনাফের বিভিন্ন ইয়াবা কারারির সঙ্গে ট্রাকচালক আলমগীরের সখ্যতা তৈরি করে। টেকনাফের বিভিন্ন ইয়াবা কারবারির নির্দেশ মোতাবেক বিভিন্ন জেলায় ইয়াবা পৌঁছে দেয়াই ছিল তার মূল কাজ। এ কাজের জন্য প্রতি ট্রিপে তিনি এক থেকে দুই লাখ টাকা পেতেন।

চক্রটিকে যেভাবে ধরা হয়:

সংবাদ সম্মেলনে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বলেন, আমাদের কাছে তথ্য ছিল উত্তরাঞ্চলের কয়েকজন মাদক কারবারি ঢাকার হেমায়েতপুরে অবস্থানকৃত শাহজাহানের কাছ থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করবে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা শাহজাহানের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকি এবং তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হই। পরে বিভিন্ন সোর্স ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা জানতে পারি যে, শাহজাহান টেকনাফ থেকে ইয়াবার একটি চালান ট্রাকচালক আলমগীরের মাধ্যমে সংগ্রহ করবে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ থেকে ট্রাকচালক আলমগীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় পৌঁছালে যাত্রাবাড়ী এলাকার গোপীবাগে ট্রাকটির গতি রোধ করি এবং তাকে শনাক্ত করি।

আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় ট্রাকের স্পেয়ার চাকার টিউবের মধ্যে বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় বিপুল পরিমান ইয়াবা রয়েছে। তার দেওয়া তথ্য মতে স্পেয়ার চাকার টিউবের মধ্য থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা অন্যদিকে ট্রাকচালক আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদে শাহজাহান সম্পর্কে আরো তথ্য পাওয়া যায়। তার দেওয়া তথ্য এবং আগের পাওয়া তথ্য যাচাই করে ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানার হেমায়েতপুর, জয়নাবাড়ী, ঈদগাহ কবরস্থান এলাকায় শাহজাহানের ভাড়াকৃত বাসায় অভিযান পরিচালনা করে বিশেষ কায়দায় পেটিকোটে সেলাই করা অবস্থায় বিভিন্ন মাদক কারবারির কাছ থেকে সরবরাহের জন্য মজুদকৃত ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ উদ্ধার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে শাহজাহান জানায়, নারীদের ব্যবহার করে ইয়াবা পাচারের সুবিধার জন্য এই বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে থাকে। প্রাথমিকভাবে আসামি শাহজাহানকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তার নামে এর আগেও দুইটি মাদক মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার মো. আলমগীর চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানার মো. ইউসুফ আলীর ছেলে আর মো. শাহজাহান ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী থানার মো. শামসুল হকের ছেলে।

Please Share This Post in Your Social Media

উত্তরাঞ্চলে ইয়াবা সরবরাহের সমন্বয়ক শাহজাহান গ্রেফতার

Update Time : ০৫:২৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩

টেকনাফ থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে ঢাকায় আসে ইয়াবার চালান। আর সেগুলো গ্রহণ করে সাভারে হেমায়েতপুরের বাসায় মজুত করতেন ঠাকুরগাঁওয়ের শাহজাহান। এরপর নানা কৌশলে উত্তরবঙ্গের কারবারিদের কাছে পৌঁছে দেন ইয়াবা। টেকনাফ থেকে ঢাকায় চালান আনার পর তা উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে কীভাবে, কার কাছে ইয়াবা পৌঁছাবে তার সমন্বয় করতেন এ শাহজাহান।

একটি ইয়াবা চালানের সূত্র ধরে গতকাল বুধবার হেমায়েতপুর থেকে শাহজাহানকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) উত্তর বিভাগ। এর আগে শাহজাহানের কাছে ইয়াবার চালান নিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেফতার হয় ট্রাকচালক আলমগীর।

আলমগীরের ট্রাকের স্পেয়ার চাকার টিউবে বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় ১০ হাজার ইয়াবা ও পরবর্তীতে হেমায়েতপুরে শাহজাহানের বাসা থেকে নারীদের পেটিকোটে সেলাই করে লুকানো অবস্থায় রাখা ১৫ হাজার ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জুন) তেজগাঁওয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো কার্যালয়ের (উত্তর) উপ-পরিচালক মো. রাশেদুজ্জমান আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের তেজগাঁও সার্কেলের একটি টিম বুধবার সকাল থেকে অভিযানে নামে। যাত্রাবাড়ী থানার গোপীবাগের নাহার কিচেনের ২৩/৬/১ নম্বর বাড়ির ডিপিসিয়াস ফুড নামের দোকানের পূর্ব পাশে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মো. আলমগীর নামে এক আসামিকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্য মতে ঢাকার সাভার মডেল থানার হেমায়েতপুর, জয়নাবাড়ী, ঈদগাহ কবরস্থান এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপর আসামি মো. শাহজাহানকে আটক করা করা হয়। এ সময়ে তার কাছ থেকে ১৫ হাজার ইয়াবা জব্দ করা হয়।

গ্রেফতার শাহজাহানকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে তিনি বলেন, টেকনাফ থেকে ঢাকায় আসা ইয়াবা সমন্বয় করে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে পাঠাতো শাহজাহান। রংপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়সহ অন্য জেলাগুলোতে ইয়াবা সরবরাহ করে আসছিল তারা। আর ইয়াবা বহন করার জন্য নারীদের ব্যবহার করতো শাহজাহান।
রাশেদুজ্জমান বলেন, ট্রাকচালক আলমগীরের বিষয়ে রাশেদুজ্জামান বলেন, টেকনাফ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় পণ্য পরিবহনের আড়ালে ইয়াবা বহন করে আসছিল আলমগীর। টেকনাফের ইয়াবা কারবারিদের নির্দেশে দেশের বিভিন্ন জেলায় পৌঁছে দিত ইয়াবা। এ কাজের জন্য প্রতি ট্রিপে এক থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পেতো আলমগীর।

এ পর্যন্ত কতগুলো ট্রিপ দিয়ে তা স্বীকার করেনি আলমগীর। ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, হাতেনাতে আটক করার পরও মাদক কারবারে জড়িতরা কিছু স্বীকার করতে চায় না। রিমান্ডে এনে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে তাদের।

ইয়াবা সরবরাহের মূল সমন্বয়ক শাহজাহান

সংবাদ সম্মেলনে মো. রাশেদুজ্জামান বলেন, শাহজাহান টেকনাফের বিভিন্ন ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইয়াবা সংগ্রহ করে। পরে ওই ইয়াবা ঢাকার হেমায়েতপুরে তার নিজভাড়া বাসায় ইয়াবা মজুদ করে। পরবর্তীতে রংপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়সহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের কাছে ইয়াবা পাইকারী মূলে বিক্রি করেন।

পণ্য পরিবহনের আড়ালে শাহজাহান চক্রের কাছে ইয়াবা পৌঁছে দিতো ট্রাক চালক আলমগীর

রাশেদুজ্জামান বলেন, টেকনাফ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় পণ্য পরিবহনের সুবিধার্থে টেকনাফের বিভিন্ন ইয়াবা কারারির সঙ্গে ট্রাকচালক আলমগীরের সখ্যতা তৈরি করে। টেকনাফের বিভিন্ন ইয়াবা কারবারির নির্দেশ মোতাবেক বিভিন্ন জেলায় ইয়াবা পৌঁছে দেয়াই ছিল তার মূল কাজ। এ কাজের জন্য প্রতি ট্রিপে তিনি এক থেকে দুই লাখ টাকা পেতেন।

চক্রটিকে যেভাবে ধরা হয়:

সংবাদ সম্মেলনে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বলেন, আমাদের কাছে তথ্য ছিল উত্তরাঞ্চলের কয়েকজন মাদক কারবারি ঢাকার হেমায়েতপুরে অবস্থানকৃত শাহজাহানের কাছ থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করবে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা শাহজাহানের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকি এবং তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হই। পরে বিভিন্ন সোর্স ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা জানতে পারি যে, শাহজাহান টেকনাফ থেকে ইয়াবার একটি চালান ট্রাকচালক আলমগীরের মাধ্যমে সংগ্রহ করবে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ থেকে ট্রাকচালক আলমগীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় পৌঁছালে যাত্রাবাড়ী এলাকার গোপীবাগে ট্রাকটির গতি রোধ করি এবং তাকে শনাক্ত করি।

আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় ট্রাকের স্পেয়ার চাকার টিউবের মধ্যে বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় বিপুল পরিমান ইয়াবা রয়েছে। তার দেওয়া তথ্য মতে স্পেয়ার চাকার টিউবের মধ্য থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা অন্যদিকে ট্রাকচালক আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদে শাহজাহান সম্পর্কে আরো তথ্য পাওয়া যায়। তার দেওয়া তথ্য এবং আগের পাওয়া তথ্য যাচাই করে ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানার হেমায়েতপুর, জয়নাবাড়ী, ঈদগাহ কবরস্থান এলাকায় শাহজাহানের ভাড়াকৃত বাসায় অভিযান পরিচালনা করে বিশেষ কায়দায় পেটিকোটে সেলাই করা অবস্থায় বিভিন্ন মাদক কারবারির কাছ থেকে সরবরাহের জন্য মজুদকৃত ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ উদ্ধার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে শাহজাহান জানায়, নারীদের ব্যবহার করে ইয়াবা পাচারের সুবিধার জন্য এই বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে থাকে। প্রাথমিকভাবে আসামি শাহজাহানকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তার নামে এর আগেও দুইটি মাদক মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার মো. আলমগীর চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানার মো. ইউসুফ আলীর ছেলে আর মো. শাহজাহান ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী থানার মো. শামসুল হকের ছেলে।