ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ
টঙ্গীতে রিক্সা চালককে ছিনতাইকারী অপবাদ দিয়ে ছাত্রদল নেতার চাঁদাবাজি আ’লীগের কেউ এনসিপিতে যুক্ত হবার সাহস দেখালে আইনের কাছে সোপর্দ করব বিচারিক সংস্কার এখন নিজেই “সংস্কার” শব্দের প্রতীক হয়ে উঠেছে: প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত দুই বিচারপতির সাক্ষাৎ  মায়ের সাথে গোসলে নেমে পুকুরে ডুবে ২সন্তানের মৃত্যু আমরা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে জনগণের কাছে ফিরে যেতে চাই: সারজিস আলম বিয়ে বাড়িতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান নোয়াখালীতে জমজ ২ দুই বোনকে ধর্ষণ কালীগঞ্জে ঈদ পূর্নমিলনী ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পঞ্চগড়ে ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে ব্যাপক কাযক্রম গ্রহণ

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় ১৬ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • Update Time : ০২:৩৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৪
  • / ৯৭ Time View

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া এখনো ছয়জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের পাহাড়ি এলাকায় ভারি বৃষ্টির পর নদীর দুকূল প্লাবিত হয়। এতে বাড়িঘর ও কৃষি জমি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এছাড়া দেলি সেরডাং, সাউথ তাপানুলি এবং পেডাং লাওয়াস জেলায় আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বন্যায় বাড়ি-ঘর, মসজিদ এবং বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আবদুল মুহারি জানিয়েছেন, এর আগেও দেলি সেরডাং এবং কারো জেলায় বন্যা ও ভূমিধস আঘাত হেনেছে। চলতি বছর ওই দুই জেলায় এ নিয়ে তৃতীয় বারের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হেনেছে।

বর্ষাকালে যেসব এলাকায় বন্যার আশঙ্কা রয়েছে সেগুলো এড়িয়ে চলতে লোকজনকে সতর্ক করেছেন তিনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশটিতে নানা ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা যাচ্ছে।

গত মে মাসে পশ্চিম সুমাত্রার মাউন্ট মারাপির অগ্ন্যুৎপাত থেকে ছাই, বালি এবং নুড়ির মিশ্রণ আবাসিক এলাকায় ভেসে আসার পর আকস্মিক বন্যায় কমপক্ষে ৬৭ জনের মৃত্যু হয়।

নওরোজ/এসএইচ

Please Share This Post in Your Social Media

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় ১৬ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
Update Time : ০২:৩৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৪

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া এখনো ছয়জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের পাহাড়ি এলাকায় ভারি বৃষ্টির পর নদীর দুকূল প্লাবিত হয়। এতে বাড়িঘর ও কৃষি জমি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এছাড়া দেলি সেরডাং, সাউথ তাপানুলি এবং পেডাং লাওয়াস জেলায় আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বন্যায় বাড়ি-ঘর, মসজিদ এবং বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আবদুল মুহারি জানিয়েছেন, এর আগেও দেলি সেরডাং এবং কারো জেলায় বন্যা ও ভূমিধস আঘাত হেনেছে। চলতি বছর ওই দুই জেলায় এ নিয়ে তৃতীয় বারের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হেনেছে।

বর্ষাকালে যেসব এলাকায় বন্যার আশঙ্কা রয়েছে সেগুলো এড়িয়ে চলতে লোকজনকে সতর্ক করেছেন তিনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশটিতে নানা ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা যাচ্ছে।

গত মে মাসে পশ্চিম সুমাত্রার মাউন্ট মারাপির অগ্ন্যুৎপাত থেকে ছাই, বালি এবং নুড়ির মিশ্রণ আবাসিক এলাকায় ভেসে আসার পর আকস্মিক বন্যায় কমপক্ষে ৬৭ জনের মৃত্যু হয়।

নওরোজ/এসএইচ